ছিয়াত্তরের মন্বন্তর: যখন সমৃদ্ধ বাংলায় নেমে এল মৃত্যুর ছায়া
1765।
Battle of Buxar-এর পর…
East India Company পেল Bengal, Bihar এবং Orissa-র—
Diwani Rights.
অর্থাৎ…
রাজস্ব আদায়ের অধিকার।
একটি trading company…
এখন আর শুধু কাপড়, silk বা অন্যান্য পণ্য কিনছে না।
এখন সেই Company…
একটি বিশাল অঞ্চলের revenue system-এর কেন্দ্রে।
কিন্তু ক্ষমতার সঙ্গে আসে আরেকটি জিনিস—
Responsibility.
আর মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই…
এই নতুন ব্যবস্থাকে এমন একটি crisis-এর মুখোমুখি হতে হবে…
যা Bengal-এর ইতিহাসে রেখে যাবে ভয়াবহ স্মৃতি।
বাংলায় আমরা যাকে বলি—
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর।
ইংরেজিতে—
The Great Bengal Famine of 1770.
আজকের গল্প কোনো battlefield-এর নয়।
এখানে cannon নেই।
সৈন্যের charge নেই।
Clive নেই।
Siraj নেই।
কিন্তু আছে…
খালি মাঠ।
শুকিয়ে যাওয়া ফসল।
খাবারের জন্য অপেক্ষা করা মানুষ।
পরিত্যক্ত গ্রাম।
আর একটি প্রশ্ন—
একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ…
কখন একটি মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হয়?
“ছিয়াত্তর” কেন?
একটি ছোট্ট বিষয় দিয়ে শুরু করি।
1770 সালের famine-কে বাংলায় কেন বলা হয়—
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর?
কারণ বাংলা সন 1176-এর সঙ্গে এই দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে ভয়াবহ সময়টি যুক্ত।
1176 বঙ্গাব্দ।
সেখান থেকেই—
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর।
কিন্তু এর background তৈরি হচ্ছিল তার আগেই।
1769-এর দিকে rainfall failure এবং crop distress পরিস্থিতিকে বিপজ্জনক করে তোলে।
পরবর্তী সময়ে খাদ্যের সংকট তীব্র হতে থাকে।
1770 সালে…
পরিস্থিতি catastrophe-তে পৌঁছায়।
কিন্তু Bengal তো সমৃদ্ধ ছিল!
এখানেই tragedy।
এই সেই Bengal…
যার textile-এর reputation ছিল দূরদূরান্তে।
যার silk ও cotton European market-এ পৌঁছত।
যার fertile delta অসাধারণ কৃষি উৎপাদন করত।
যে Bengal-এর সম্পদ…
East India Company-কে আকর্ষণ করেছিল।
তাহলে প্রশ্ন আসে—
এমন একটি fertile region-এ এত বড় famine হলো কীভাবে?
উত্তর এক লাইনে দেওয়া যায় না।
কারণ famine সাধারণত একটি কারণ থেকে তৈরি হয় না।
1770-এর ক্ষেত্রেও—
প্রকৃতি ছিল।
Crop failure ছিল।
Revenue pressure ছিল।
একটি নতুন colonial political economy ছিল।
Administrative weakness ছিল।
এবং crisis মোকাবিলার সীমাবদ্ধতা ছিল।
সব মিলিয়ে…
একটি terrible combination।
প্রথম আঘাত — Nature
1769 সালে monsoon ব্যর্থ হওয়ার ফলে Bengal ও Bihar-এর বিভিন্ন অঞ্চলে crop failure দেখা দেয়।
যেখানে কৃষি rainfall-এর উপর নির্ভরশীল…
সেখানে একবার বৃষ্টি ব্যর্থ হলে শুধু সেই বছরের ফসল নষ্ট হয় না।
কৃষকের seed stock কমে যায়।
গবাদিপশু বিক্রি করতে হয়।
সঞ্চয় শেষ হয়।
ঋণ বাড়ে।
খাবারের দাম বাড়ে।
তারপর যদি crisis চলতেই থাকে…
একটি পরিবার ধীরে ধীরে তার সমস্ত defence হারিয়ে ফেলে।
প্রথমে savings।
তারপর jewellery।
তারপর cattle।
তারপর farming tools।
তারপর…
বেঁচে থাকার শেষ উপায়গুলোও।
তাই drought ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ trigger।
কিন্তু এখানেই প্রশ্ন শেষ নয়।
কারণ drought সবসময় famine হয় না।
Crop failure becomes famine when people lose access to food.
আর এখানেই governance-এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
Company তখন কী করছিল?
মনে রাখবেন…
1765-এর পর East India Company Bengal-এর Diwani পেয়েছে।
কিন্তু Company তখনও আজকের অর্থে একটি modern government হয়ে ওঠেনি।
একটি জটিল ব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল…
যাকে পরে বলা হয়—
Dual Government.
Revenue-এর উপর Company-র শক্তিশালী control।
আর administration-এর বিভিন্ন formal responsibility Nawab-এর structure-এর সঙ্গে যুক্ত।
ফলে একটি fundamental problem তৈরি হলো—
Power এবং Responsibility একই জায়গায় ছিল না।
যার হাতে revenue…
তার হাতে সব administrative responsibility নেই।
আর যার নামে administration…
তার financial independence ক্রমশ দুর্বল।
Crisis-এর সময় এমন structure dangerous হতে পারে।
কারণ তখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে ওঠে—
শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব নেবে কে?
Revenue — যখন হিসাব আর মানুষের জীবন মুখোমুখি
Company-এর জন্য Bengal-এর revenue অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
কারণ এই revenue দিয়ে…
Company তার commercial operations চালাতে পারে।
Army maintain করতে পারে।
Political expansion support করতে পারে।
Britain-এ financial obligations মেটাতে পারে।
অর্থাৎ Bengal এখন শুধু একটি territory নয়।
এটি Company-র financial system-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
কিন্তু famine-এর সময়…
একজন কৃষকের reality সম্পূর্ণ অন্য।
তার ফসল নেই।
তার খাবার নেই।
তার income নেই।
তবুও revenue system-এর দাবি পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যায়নি।
এখানেই একটি কঠিন প্রশ্ন আসে—
যখন মানুষের production collapse করে…
তখনও যদি revenue demand-এর pressure থাকে…
তাহলে burden শেষ পর্যন্ত পড়বে কার উপর?
যার কাছে সবচেয়ে কম cushion আছে—
সেই কৃষকের উপর।
Numbers-এর পিছনে মানুষ
1770 famine-এর death toll নিয়ে বিভিন্ন historical estimate রয়েছে।
পুরনো accounts-এ প্রায় এক কোটি, অর্থাৎ population-এর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে।
আধুনিক historians এই সংখ্যার precision নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
কারণ eighteenth-century Bengal-এর population statistics আজকের census-এর মতো নির্ভুল ছিল না।
তাই exact number নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
কিন্তু একটি বিষয়ে বিতর্ক নেই—
মানবিক বিপর্যয় ছিল enormous.
অসংখ্য মানুষ মারা গিয়েছিল।
অনেক গ্রাম জনশূন্য হয়ে পড়েছিল।
চাষের জমি পরিত্যক্ত হয়েছিল।
কৃষি ও rural economy মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
একটি statistic শুনলে আমরা বলি—
“এক-তৃতীয়াংশ population।”
কিন্তু statistic-এর ভিতরে কী আছে?
একজন বাবা।
একজন মা।
একটি শিশু।
একটি পরিবার।
একটি গ্রাম।
একটি জীবন…
যার কোনো historical footnote নেই।
Famine শুধু খাবারের অভাব নয়
আমরা সাধারণত famine শুনলেই ভাবি—
খাবার ছিল না।
কিন্তু famine আরও complex।
ধরুন বাজারে কিছু food available আছে।
কিন্তু দাম এত বেড়ে গেল…
যে একজন সাধারণ মানুষ কিনতেই পারছেন না।
তাহলে technically food আছে…
কিন্তু তাঁর কাছে নেই।
অর্থাৎ প্রশ্ন শুধু—
“Food exists?”
নয়।
প্রশ্ন হলো—
“Can people access it?”
কাজ আছে কি?
আয় আছে কি?
দাম কত?
Relief আছে কি?
Revenue pressure কমছে কি?
Local administration কাজ করছে কি?
এই সমস্ত প্রশ্ন মিলিয়েই famine-এর severity নির্ধারিত হয়।
Company কি famine তৈরি করেছিল?
এখানে ইতিহাসকে slogan বানানো ঠিক হবে না।
না—Company আকাশ থেকে বৃষ্টি বন্ধ করেনি।
Drought এবং crop failure বাস্তব ছিল।
কিন্তু…
এতেই Company-এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শেষ হয়ে যায় না।
কারণ একটি disaster-এর trigger natural হতে পারে…
কিন্তু তার human cost নির্ভর করতে পারে—
taxation-এর উপর…
market structure-এর উপর…
administrative capacity-এর উপর…
relief policy-এর উপর…
এবং rulers-এর priorities-এর উপর।
তাই প্রশ্নটি হওয়া উচিত নয়—
“Famine natural, না British-made?”
বরং—
“Natural shock-কে existing political and economic system কতটা catastrophe-তে পরিণত করেছিল?”
এই প্রশ্ন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
একটি Company কি একটি দেশ শাসন করতে পারে?
1770 famine East India Company-র সামনে একটি fundamental contradiction তুলে ধরল।
Company তৈরি হয়েছিল কেন?
Profit-এর জন্য।
Shareholders return চান।
Directors revenue চান।
Trade expand করতে হবে।
Army maintain করতে হবে।
কিন্তু একটি government-এর কাজ কী?
মানুষকে protect করা।
Law and order বজায় রাখা।
Crisis manage করা।
Agriculture ও economy-র stability রক্ষা করা।
এখন যদি একই organisation-এর সামনে দুই objective দাঁড়ায়—
Profit
এবং
Public Welfare
তাহলে priority কোনটি হবে?
আজ corporate governance-এ আমরা বলি—
Conflict of Interest.
Eighteenth-century Bengal-এ এই conflict আর boardroom-এর theoretical discussion ছিল না।
এটি মানুষের জীবনের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
London-ও চিন্তিত হতে শুরু করল
আর এখানেই গল্প Bengal ছাড়িয়ে Britain-এ পৌঁছায়।
East India Company একটি private company।
কিন্তু তার হাতে এখন territory…
army…
revenue…
political power।
তাহলে প্রশ্ন উঠল—
একটি private corporation-কে কি এত বড় political power দেওয়া যায়?
আর যদি সেই Company misgovern করে…
তাকে control করবে কে?
Company directors?
Shareholders?
Parliament?
British Crown?
এই প্রশ্নগুলো 1770-এর দশকে আরও বড় হতে থাকে।
Company নিজেও financial difficulties-এর মুখোমুখি হয়।
শেষ পর্যন্ত British Parliament বুঝতে শুরু করল—
East India Company-কে সম্পূর্ণ নিজের মতো চলতে দেওয়া যাবে না।
1773 সালে এল—
The Regulating Act.
এটি ছিল Company-র Indian administration-এর উপর British parliamentary control বাড়ানোর প্রথম বড় পদক্ষেপগুলোর একটি।
অর্থাৎ…
একটি অদ্ভুত cycle তৈরি হলো।
Company ভারতে political power পেল।
Political power থেকে revenue পেল।
Revenue-এর সঙ্গে governance-এর responsibility এল।
Governance-এর সমস্যা Britain-এ political controversy তৈরি করল।
আর তারপর British Parliament বলল—
“Company-কে regulate করতে হবে।”
এখানেই British Raj শুরু হয়নি
একটি distinction আবার মনে রাখা জরুরি।
1770 সালে India সরাসরি British Crown-এর colony ছিল না।
1858 তখনও অনেক দূরে।
India-র বড় অংশ তখনও বিভিন্ন Indian rulers-এর অধীনে।
Bengal-এও Company rule-এর structure evolve করছিল।
তাই “British government Bengal-কে তখন সরাসরি শাসন করছিল”—এভাবে বলা historicalভাবে precise হবে না।
বরং…
আমরা দেখছি একটি extraordinary experiment—
Corporate Rule.
একটি commercial corporation…
ধীরে ধীরে government-এর functions গ্রহণ করছে।
এবং সেই experiment-এর human consequences কী হতে পারে…
1770 famine সেই প্রশ্নকে নির্মমভাবে সামনে নিয়ে এল।
Plassey থেকে Famine — একটি chain
একবার পুরো journey-টা দেখুন।
1757 — Plassey
Company Bengal politics-এর ভিতরে প্রবেশ করল।
1764 — Buxar
Company military position আরও শক্ত করল।
1765 — Diwani
Company revenue collection-এর অধিকার পেল।
1770 — Bengal Famine
নতুন political-economic system একটি massive humanitarian crisis-এর মুখোমুখি হলো।
1773 — Regulating Act
British Parliament Company-র governance-এর উপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর চেষ্টা শুরু করল।
অর্থাৎ…
British expansion-এর ইতিহাস শুধু battlefield-এর ইতিহাস নয়।
এটি একই সঙ্গে—
Trade-এর ইতিহাস।
Money-এর ইতিহাস।
Tax-এর ইতিহাস।
Governance-এর ইতিহাস।
এবং…
Accountability-এর ইতিহাস।
কিন্তু সামনে আসছেন একজন মানুষ…
1770 famine একটি প্রশ্ন তুলেছিল—
East India Company-কে control করবে কে?
1773-এর Regulating Act সেই প্রশ্নের একটি উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করল।
আর সেই নতুন ব্যবস্থার কেন্দ্রে উঠে এলেন একজন মানুষ—
Warren Hastings.
তিনি Bengal-এর Governor ছিলেন।
তারপর হলেন—
the first Governor-General of Bengal.
তাঁর সময়ে Company শুধু revenue collector হয়ে থাকবে না।
তারা administration-কে আরও সংগঠিত করবে।
Court…
Revenue…
Law…
Political control…
সবকিছু ধীরে ধীরে নতুনভাবে সাজানো হবে।
কিন্তু সেই সঙ্গে জন্ম নেবে আরও একটি প্রশ্ন—
Britishরা কি শুধু ভারত শাসন করছিল…
নাকি ভারতকে নিজেদের বোঝার মতো করে পুনর্গঠনও করছিল?
সেই গল্প শুরু হবে—
Warren Hastings & The Birth of Company Rule
একজন Governor-General…
একটি trading company…
এবং…
একটি নতুন ধরনের সাম্রাজ্যের শুরু।
বন্ধুরা, আজ এখানেই ইতি — আবার দেখা হবে পরবর্তী অধ্যায়ে…