বন্ধুরা…

আপনাদের মধ্যে কতজনের মনে আছে…

Shah Rukh Khan-এর সেই famous dialogue—

“Ki… Ki… Ki… Kiran!”

From movie Daar ….মনে পড়ছে?

অবশ্যই পড়ছে!

কিন্তু বন্ধুরা…

আজকের গল্পের জন্য…

আমিও একজন Kiran-কে select করেছি।

আজকের special episode-এর—

Heroine হলেন Kiran।

কিন্তু একটা ছোট্ট difference আছে।

আমাদের এই Kiran…

কোনও filmy heroine নন।

কোনও সিনেমার character নন।

কোনও scriptwriter-এর imagination-ও নন।

She is from real life.

আর বিশ্বাস করুন…

তাঁর জীবনের গল্পে—

Drama আছে।

Rejection আছে।

Struggle আছে।

Emotion আছে।

Risk আছে।

Comeback আছে।

এমনকি…

একজন heroine-এর বিরুদ্ধে গোটা system দাঁড়িয়ে যাওয়ার গল্পও আছে।

শুধু একটা জিনিস নেই—

কোনও Bollywood hero নেই!

কারণ…

এই গল্পে…

Heroine-ই নিজের Hero।

আর তাঁর real-life story…

অনেক Bollywood heroine-এর গল্পকেও হার মানাতে পারে।

So…

Can you guess?

কোন Kiran-এর কথা বলছি আমি?

একটু hint দিই।

একসময় তাঁকে চাকরি দেওয়া হয়নি…

কারণ তিনি একজন মহিলা।

Bank তাঁকে loan দিতে চায়নি।

Supplier তাঁকে বিশ্বাস করেনি।

তাঁর company-তে মানুষ চাকরি করতে চাইত না।

Business world তাঁকে seriously নিতে চায়নি।

চারদিক থেকে একটা কথাই আসছিল—

“NO!”

কিন্তু…

এই মেয়েটি সেই সমস্ত NO-এর বিরুদ্ধে…

নিজের একটা ছোট্ট—

“YES”

নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

আর সেই YES…

একদিন জন্ম দিয়েছিল…

ভারতের biotechnology revolution-এর অন্যতম বড় নামকে।

মাত্র ₹10,000 দিয়ে…

একটা ছোট্ট rented garage থেকে শুরু হয়েছিল journey।

আর তারপর…

সেই journey পৌঁছে যায়—

Billion-Dollar Biotech Empire-এ।

এবার নিশ্চয়ই কেউ কেউ guess করে ফেলেছেন।

Yes বন্ধুরা…

আজকের আমাদের real-life heroine—

KIRAN MAZUMDAR-SHAW

আর তাঁর তৈরি company—

BIOCON।

কিন্তু আজ আমরা Biocon-এর balance sheet নিয়ে কথা বলব না।

Share price নিয়েও নয়।

আজ আমরা জানব…

একজন ২৫ বছরের মেয়ে…

যখন বারবার শুনছিলেন—

“তুমি পারবে না…”

তখন কীভাবে তিনি নিজের ভিতরে বলেছিলেন—

“আমি পারব।”

আর সেই কারণেই…

আজকের গল্পটা শুধু Kiran Mazumdar-Shaw-এর নয়।

এই গল্পটা আপনারও।

আমারও।

প্রত্যেক সেই working professional-এর…

যিনি কোনও না কোনও সময়—

rejected হয়েছেন…

ignored হয়েছেন…

underestimated হয়েছেন…

অথবা শুনেছেন—

“তোমার দ্বারা হবে না।”

কারণ Kiran-এর journey আমাদের একটা অসাধারণ কথা শেখায়—

Sometimes rejection is not rejection.

Sometimes rejection is REDIRECTION.

চলুন…

আজকের গল্প শুরু করি…

একটা মেয়েকে দিয়ে…

যিনি হতে চেয়েছিলেন একজন দক্ষ মদ প্রস্তুতকারক(Master Brewer)

কিন্তু destiny তাঁকে বানিয়ে দিল—

The Biotech Queen of India.

এটাই…

Kiran Mazumdar-Shaw-এর গল্প।

The Woman Who Turned “NO” Into BIOCON.

CHAPTER 1 — একটি মেয়ের অন্যরকম স্বপ্ন

কিন্তু বন্ধুরা…

একটা প্রশ্ন এখানে আসতেই পারে।

Kiran Mazumdar-Shaw হঠাৎ দক্ষ মদ প্রস্তুতকারক(Master Brewer) হতে চেয়েছিলেন কেন?

এর উত্তর খুঁজতে হলে…

আমাদের একটু পিছিয়ে যেতে হবে।

ফিরে যেতে হবে তাঁর ছোটবেলায়।

Bangalore-এ।

Kiran ছোটবেলা থেকেই একটু অন্যরকম ছিলেন।

Science তাঁকে খুব attract করত।

কোনও কিছু দেখলেই শুধু দেখে চলে যেতেন না।

মাথার মধ্যে প্রশ্ন আসত—

“এটা কেন হচ্ছে?”

“এটা কীভাবে কাজ করে?”

এই “কেন?”

আর “কীভাবে?”

এই দুটো প্রশ্নই…

পরে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় strength হয়ে উঠবে।

Kiran নিজেও পরে একটা অসাধারণ কথা বলেছিলেন—

“Unless you are curious, you will never find science exciting.”

অর্থাৎ…

আপনার মধ্যে যদি curiosity না থাকে…

তাহলে science-এর magic আপনি কখনও অনুভব করতে পারবেন না।

আর এই curiosity-র পিছনে একটা বড় influence ছিল—

তাঁর বাবা।

Kiran-এর বাবা ছিলেন United Breweries-এর Master Brewer

তখনকার ভারতের অন্যতম বড় brewery।

ছোট্ট Kiran বাবার মুখে brewing-এর গল্প শুনতেন।

কীভাবে fermentation হয়…

কীভাবে temperature একটা পুরো process বদলে দিতে পারে…

কীভাবে microorganism কাজ করে…

কীভাবে chemistry আর biology মিলে…

একটা industrial product তৈরি হয়।

আমরা বাইরে থেকে একটা beer bottle দেখি।

কিন্তু তাঁর বাবা সেই bottle-এর ভিতরের—

Science-টা দেখতেন।

আর সেই science-এর গল্প শুনতে শুনতেই…

Kiran-এর মধ্যেও একটা fascination তৈরি হয়ে গেল।

তিনি পরে brewing-কে বলেছিলেন—

“One of the oldest forms of biotechnology.”

ভাবুন বন্ধুরা…

তখন হয়তো Biocon বলে কিছুই নেই।

Biotechnology entrepreneur হওয়ার কোনও plan নেই।

Billion-dollar company-র কোনও dream নেই।

একটা ছোট মেয়ে শুধু বাবার কাছ থেকে…

fermentation-এর science শুনছে।

কিন্তু কে জানত…

সেই ছোট্ট কৌতূহলের বীজটাই…

একদিন একটা বিশাল biotechnology company-তে পরিণত হবে!


কিন্তু বাবার সবচেয়ে বড় contribution Science ছিল না

Kiran-এর বাবা তাঁকে শুধু brewing শেখাননি।

তিনি তাঁর মেয়ের ভিতরে আরও powerful কিছু তৈরি করেছিলেন।

Self-belief.আত্মবিশ্বাস

সেই সময়ের social environment একটু imagine করুন।

একজন মেয়ের জন্য society-র কিছু traditional expectation ছিল।

কোন profession women-এর জন্য…

কোন profession men-এর জন্য…

এগুলো নিয়ে অনেক invisible boundary ছিল।

কিন্তু Kiran-এর বাড়িতে?

সেই boundary ছিল না।

তাঁর বাবা কখনও তাঁকে বোঝাননি—

“তুমি মেয়ে, তাই তোমার options limited।”

বরং তিনি নিজের ছেলে আর মেয়ের মধ্যে career ambition-এর ক্ষেত্রে কোনও distinction রাখতেন না।

আর একদিন তিনিই Kiran-কে বললেন—

“Why don’t you become a Brew Master?”

আজ কথাটা শুনতে খুব extraordinary মনে নাও হতে পারে।

কিন্তু সেই সময়?

একজন Indian father তাঁর মেয়েকে বলছেন—

Brewery-তে যাও।

Industrial environment-এ কাজ করো।

Master Brewer হও।

এটা ছিল…

সময়ের থেকে অনেক এগিয়ে থাকা একটা চিন্তা।


FIRST MENTOR — তাঁর নিজের বাবা

বন্ধুরা…

আমাদের জীবনের first mentor অনেক সময় কোনও corporate coach নন।

কোনও management guru নন।

কোনও motivational speaker-ও নন।

অনেক সময়…

তিনি আমাদের নিজের বাড়িতেই থাকেন।

Kiran-এর জীবনে সেই মানুষটি ছিলেন—

তাঁর বাবা।

বাবার কাছ থেকে তিনি বিশেষ করে দুটো value পেয়েছিলেন—

Integrity.

এবং…

Humility.

Success আসুক…

কিন্তু integrity হারিয়ে নয়।

বড় হও…

কিন্তু humility হারিয়ে নয়।

আর তাঁর বাবা তাঁকে আরও একটা philosophy শিখিয়েছিলেন।

একটা philosophy…

যেটা Kiran-এর জীবনে কিছুদিনের মধ্যেই ভীষণভাবে দরকার পড়বে।

তিনি বলতেন—

**“Failure is temporary.

Giving up is permanent.”**

Failure temporary।

আজ আপনি হারতে পারেন।

আজ আপনার plan fail করতে পারে।

আজ কেউ আপনাকে reject করতে পারে।

আজ একটা door আপনার সামনে বন্ধ হতে পারে।

কিন্তু…

যতক্ষণ আপনি আবার চেষ্টা করছেন…

গল্পটা শেষ হয়নি।

গল্প শেষ হয় তখনই…

যখন আপনি নিজেই চেষ্টা করা বন্ধ করে দেন।

Kiran তখন হয়তো বুঝতেও পারেননি…

বাবার শেখানো এই একটা line…

খুব শিগগিরই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষায় কাজে লাগতে চলেছে।


স্বপ্ন এবার বাস্তব করার পালা

Kiran ঠিক করলেন—

তিনি Master Brewer-ই হবেন।

শুধু dream দেখলেন না।

নিজেকে সেই career-এর জন্য তৈরি করলেন।

তিনি Australia-তে গেলেন।

Professional training নিলেন।

Brewing-এর science শিখলেন।

Technology শিখলেন।

Process শিখলেন।

Hands-on experience নিলেন।

এমন একটা profession-এ নিজেকে technically প্রস্তুত করলেন…

যেখানে Indian women-এর উপস্থিতি প্রায় ছিলই না।

শেষ পর্যন্ত…

তিনি qualified হয়ে India-তে ফিরে এলেন।

একজন young woman।

বিদেশ থেকে specialized training নিয়ে ফিরেছেন।

Confidence আছে।

Qualification আছে।

Knowledge আছে।

Skill আছে।

আর চোখের সামনে একটা dream—

“আমি Master Brewer হব।”

বন্ধুরা…

একবার সেই moment-টা imagine করুন।

আপনি জীবনের কয়েকটা বছর একটা career-এর জন্য invest করেছেন।

আপনি সেই career-এর জন্য পড়েছেন।

Training নিয়েছেন।

নিজেকে তৈরি করেছেন।

এবার শুধু একটা job দরকার।

Kiran-ও হয়তো ভেবেছিলেন—

“আমি qualified।

আমি trained।

আমি কাজটা জানি।

So why should there be a problem?”

কিন্তু…

তিনি একটা জিনিস জানতেন না।

India-তে তাঁর জন্য problemটা…

qualification নিয়ে ছিল না।

knowledge নিয়েও ছিল না।

competence নিয়েও ছিল না।

Problemটা ছিল এমন একটা জায়গায়…

যেটা কোনও university degree দিয়ে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি job-এর জন্য apply করতে শুরু করলেন।

একটা brewery…

তারপর আরেকটা brewery…

তারপর আরেকটা…

কিন্তু response?

প্রায় একই।

“NO.”

Kiran অবাক।

“কেন?”

আমি তো trained।

আমি তো qualified।

আমি তো কাজটা জানি।

তাহলে problem কোথায়?

আর তারপর তিনি যে উত্তরটা পেলেন…

সেটা তাঁর পুরো career-এর direction বদলে দিল।

তাঁকে প্রায় বলা হলো—

“আপনার qualification নিয়ে কোনও সমস্যা নেই…”

“Problem হলো—আপনি একজন মহিলা।”

Brewing?

Men’s job.

Factory floor?

Men’s world.

Odd working hours?

Women-এর জন্য নয়।

All-male workforce?

একজন মহিলা কীভাবে manage করবেন?

বন্ধুরা…

ভাবুন সেই মুহূর্তটা।

আপনি যদি কোনও interview-তে reject হন কারণ আপনার skill কম…

আপনি skill improve করতে পারেন।

Experience কম?

Experience অর্জন করতে পারেন।

Communication weak?

Improve করতে পারেন।

কিন্তু যদি আপনাকে বলা হয়—

“আপনি capable…

কিন্তু আপনি একজন মহিলা, তাই আপনাকে নেব না।”

তাহলে আপনি কী করবেন?


এবার এল সেই Moment… যা Kiran-কে বদলে দিল

একটার পর একটা rejection-এর পরে…

Kiran এমন একজনের কাছে গেলেন…

যাঁর কাছ থেকে অন্তত তিনি একটা সুযোগ আশা করেছিলেন।

পরিচিত business circle।

Brewery industry-র powerful connection।

তিনি ভাবলেন—

“এখানে অন্তত আমার capability-টা দেখা হবে।”

কিন্তু সেখান থেকেও message এল—

“তোমার ability নিয়ে doubt নেই…”

“কিন্তু system একজন woman brewer-এর জন্য ready নয়।”

আর এই rejection-টাই তাঁকে ভিতর থেকে নাড়িয়ে দিল।

কারণ এবার তিনি বুঝলেন—

“Problem আমার মধ্যে নয়।”

“Problem system-এর মধ্যে।”

আর এখানেই…

একজন aspiring Master Brewer-এর story…

অন্য দিকে turn নিতে শুরু করল।

কারণ জীবন যখন বারবার একটা দরজা বন্ধ করে দেয়…

তখন কখনও কখনও দরজায় আরও জোরে ধাক্কা দেওয়া solution নয়।

কখনও কখনও…

আপনাকে অন্য একটা দরজা তৈরি করতে হয়।

Kiran-এর ক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই হলো।

যে industry তাঁকে বলেছিল—

“We don’t have a place for you.”

জীবন যেন তাঁকে বলল—

“Then create your own place.”

আর বন্ধুরা…

সেখান থেকেই জন্ম নিতে চলেছে…

একটা নতুন Kiran-এর।

Employee Kiran নয়।

Master Brewer Kiran নয়।

বরং—

Entrepreneur Kiran।

কিন্তু entrepreneurship?

Business চালানোর experience নেই।

Capital নেই।

Bank support নেই।

Team নেই।

Market নেই।

এমনকি…

তিনি যে industry-তে ঢুকতে চলেছেন…

India-তে সেই industry-টাই তখন প্রায় তৈরি হয়নি!

তারপরও…

মাত্র ২৫ বছর বয়সে…

মাত্র ₹10,000 হাতে নিয়ে…

Bangalore-এর একটা ছোট্ট rented garage-এ…

Kiran এমন একটা company শুরু করলেন…

যার নাম একদিন গোটা পৃথিবী জানবে।

BIOCON

কিন্তু বন্ধুরা…

company শুরু করাটাই তাঁর সবচেয়ে বড় challenge ছিল না।

আসল যুদ্ধ তো এবার শুরু হবে…


বন্ধুরা, আজ এখানেই ইতি — আবার দেখা হবে পরবর্তী অধ্যায়ে…