From Karna -Krishna Conversation-Learn Objection Handling
নমস্কার বন্ধুরা,
একটা question দিয়ে শুরু করি—
👉 Objection আসলে কী?
কেউ যখন আপনার কথার বিরোধিতা করে?
নাকি কেউ যখন আপনাকে challenge করে?
নাকি কেউ যখন বলে—
“I don’t agree with you.”
Most of us তখন কী করি?
Either আমরা defensive হয়ে যাই…
Or emotional হয়ে যাই…
Or prove করতে যাই যে “আমি ঠিক, তুমি ভুল।”
কিন্তু realityটা জানেন?
🔴 Objection মানে rejection না।
🔴 Objection মানে attack না।
🔴 Objection মানে disrespect না।
👉 Objection is simply a request for better understanding.
আজ কর্পোরেট মিটিং হোক, client discussion হোক,
বা life partner-এর সঙ্গে conversation—
Objection আসবেই।
Question হলো—
❓ আমরা react করবো,
না কি respond করবো?
কারণ—
Reaction আসে ego থেকে।
Response আসে clarity থেকে।
আজ আমি আপনাদের এমন একটা skill-এর কথা বলবো—
যেটা যদি আপনি master করতে পারেন,
👉 আপনি arguments জিতবেন না,
👉 আপনি মানুষ জিতবেন।
এই skill-এর নাম—
🎯 Objection Handling with Adaptability.
আর আশ্চর্যের বিষয় কী জানেন?
এই skill-এর সবচেয়ে powerful,
deep,
এবং timeless example
আমরা পাই—
কোনো MBA classroom-এ না…
কোনো boardroom-এ না…
👉 আমরা পাই Lord Shri Krishna-এর কাছে।
আজ আমরা শিখবো—objection handle skill in Krishna Way.
মহাভারতের কর্ণ-অর্জুনের যুদ্ধ শেষ।
রথের চাকা ভেঙে পড়ে আছে।
ধুলো, রক্ত, ক্লান্তি—
সব একসঙ্গে মিশে গেছে।
সেই ভাঙা রথের পাশে দাঁড়িয়ে
একজন যোদ্ধা
শেষবারের মতো প্রশ্ন করে।
এই প্রশ্নটা ছুড়ে দেয়
সে কর্ণ।
আর যার কাছে প্রশ্নটা যায়—
তিনি Lord Shri Krishna।
কর্ণ 🗣️👉 “আমার কী দোষ ছিল, মাধব?”
বন্ধুরা…
এই প্রশ্নটা শুধু Karna-এর না।
👉 এই প্রশ্নটা প্রত্যেক সেই মানুষের,
যে honest থেকেও হারেছে।
👉 যে talented হয়েও ignored হয়েছে।
👉 যে loyal থেকেও disposable হয়ে গেছে।
এটা objection না।
এটা existential objection।
কর্ণ 🗣️“আমি যদি ভুল না হই,তাহলে আমার জীবনে এত শাস্তি কেন?”
Karna একে একে তার অভিযোগ রাখে—
আমি কিছু চাইনি।
আমি দান করেছি।
আমি যুদ্ধ করেছি।
আমি বন্ধুত্ব পালন করেছি।
তবুও কেন—
আমার ঝুলিতে শুধু
shraap, aarop আর rejection?
এটাই objection handling-এর hardest moment।
যখন objection আসে facts নিয়ে না,
👉 আসে identity নিয়ে।
Krishna তখন argue করেন না।
Counter-question ছোড়েন না।
Power দেখান না।
তিনি শোনেন।
কারণ deep objection-কে handle করা যায় না logic দিয়ে।
👉 ওটা handle হয় stillness দিয়ে।
Krishna ধীরে বলেন—
কৃষ্ণ ধীরে বলেন—
👉 “তোমার কোনো দোষ ছিল না, কর্ণ।
কিন্তু তোমার কিছু চয়েস ছিল।”
এই একটা লাইনে
Krishna objection kill করেন না।
👉 Objection reframe করেন।
তিনি বলেন না—
“তুমি ভুল।”
শান্ত কণ্ঠে কৃষ্ণ বললেন—
“কর্ণ,তোমার কোনো দোষ ছিল না।
তোমার নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ছিল।কিন্তু তোমার ছিল নির্বাচন।
আর মানুষ নিজের নির্বাচনের মাধ্যমেই নিজের গল্প লেখে।”
এই কথা শুনে
কর্ণের চোখ ভরে উঠল।
তখন কর্ণ আর নিজেকে ধরে রাখতে পারে না—
সে কাঁদতে কাঁদতে হেসে উঠল।
সেই হাসিতে ছিল ব্যঙ্গ,
ছিল অসহনীয় বেদনা।ভেতরের জমে থাকা প্রশ্ন আগুন হয়ে বেরিয়ে আসে।
কর্ণ বলল—
“কোন নির্বাচন, মাধব? আমি কখন কোন পথ বেছে নিয়েছিলাম?
আমার জীবনে কখন কিছু
আমার হাতে ছিল?
আমি জন্মেছিলাম অবৈধ সন্তান হিসেবে।
যে মায়ের কোলে থাকার কথা ছিল,
সেই মা সমাজের ভয়ে
আমাকে জলে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন।
যিনি আমাকে মানুষ করেছিলেন,
তিনি মহান ছিলেন।
কিন্তু তাঁরই জাত
আমার অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
আমি যখন বিশ্বের সামনে দাঁড়ালাম,
আমার দক্ষতার আগে
আমার রক্তের পরীক্ষা হলো।
আমি রাজকীয় ছিলাম,
কিন্তু আমাকে বলা হলো
রথচালক।
আমি ক্ষত্রিয়ের পুত্র ছিলাম,
কিন্তু আমাকে বানানো হলো
সূতপুত্র।
আমি যখন শিখতে চেয়েছি,
আগে বাড়তে চেয়েছি,
তখন সবাই আমার জন্মের দরজায়
তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।
আমি যখন যুদ্ধে নামলাম,
ইন্দ্র আমার কাছ থেকে
কবচ আর কুণ্ডল ভিক্ষা করলেন।
অর্জুনের রথে বসেছিলেন হনুমানজি,
আর আমার ভাঙা রথে বসেই
আমার বধ করতে
অর্জুন এগিয়ে এলো।
আপনিই বলুন মাধব—
এখানে কোথায় ছিল আমার নির্বাচন?
বন্ধুরা, আজ এখানেই ইতি — আবার দেখা হবে পরবর্তী অধ্যায়ে…