Learning from ভাল্লুকের জাপটে ধরা:স্বস্তির খোঁজে বিপদের মুখোমুখি Episode 1
We all are searching for comfort, safety, security…
কিন্তু তুমি কি জানো—
জীবনের সবচেয়ে বড় মায়া, Trap কী?
Comfort Zone.
সেই আরাম,
যেটাকে আমরা নিরাপত্তা ভাবি,
সেটাই আসলে হতে পারে
আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় ফাঁদ।
আমি নিজে এই ফাঁদের শিকার হয়েছিলাম বহুবার।
দশ বছর আগের সেই গল্পটা—
“ভাল্লুকের আলিঙ্গন: Comfort Zone – স্বস্তির সবচেয়ে বড় ফাঁদ”
আজও মনে পড়লে শরীর কেঁপে ওঠে।
যদি তুমি এখনও এই গল্পটা না পড়ে থাকো,তাহলে নিচে লিঙ্কে ক্লিক করে একবার অবশ্যই পড়ে নিও।
আমাদের জীবনেও ঠিক এমনটাই হয়।
আরামের খোঁজে আমরা অদৃশ্য বিপদের দিকে চলে যাই ধীরে ধীরে।
আজ থেকে ঠিক দশ বছর আগে,এই গল্পটা আমার কানে এসেছিল।
That time আমিও ঠিক তেমনই স্বস্তির খোঁজে ফেঁসে গিয়েছিলাম অদৃশ্য বিপদের মুখে।
সেই সময় আমি কাজ করছিলাম একটি জাপানি সংস্থায়।
Discipline ছিল আমার অভ্যাস।
কাজের মান নিয়ে কোনও দিনই আপস করিনি।
প্রতিদিনের জীবন ছিল একই রুটিন—সময়মতো কাজ,
কোনও প্রশ্ন নেই,কোনও ঝুঁকি নেই।
বাইরের চোখে দেখলে সবকিছুই ঠিকঠাক।
বরং অনেকের চোখে—একটা “ভালো Safe চাকরি”,
একটা “নিরাপদ জীবন 100% Job Security”।
কিন্তু জীবন সব সময় বাইরের চোখে ধরা দেয় না।
ভেতরে ভেতরে একটা দীর্ঘ অপেক্ষা জমে উঠছিল।
না ঠিক মতো promotion.
না কোনও recognition।
না ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট কোনও ইঙ্গিত।
গল্পটা এখানেই শেষ।
আসলে এটা তো সবে শুরু!
পাঁচ বছরে মাত্র একবার promotion.তাও যেন নিয়মরক্ষার মতো।
অথচ আমি ছিলাম একটি আরামদায়ক খাঁচার ভেতরে।
100% job security।
কোনও target,pressure নেই।
Sales & marketing-এর কাজ—
but no hurry, no target,no excitement।
আমি তখন বুঝিনি—এই স্বস্তিই,Comfort Zone tai ধীরে ধীরে আমাকে আটকে ফেলছে।
তারপর এক সকালে—হঠাৎ করেই—এই গল্পটি আমার সামনে এসে দাঁড়াল।
আমি মন দিয়ে শুনলাম।
আর তখনই একটা অদ্ভুত অনুভূতি হল।
আমি যেন গল্পটার ভেতরেই দাঁড়িয়ে আছি।
যে ডোম নদীতে নেমেছিল
কম্বল ভেবে,
আমি যেন তাকেই দেখছিলাম
নিজের ভিতরে।
সেই মুহূর্তে
আমার ভেতরের বহু প্রশ্ন
একসঙ্গে পরিষ্কার হয়ে গেল।
আমি ব্যর্থ ছিলাম না।
আমি অযোগ্য ছিলাম না।
আমি শুধু
অতিরিক্ত স্বস্তির ভেতরে
নিজেকে বন্দি করে ফেলেছিলাম।
এই comfort-এর জন্যই আমি আমার আসল potential আর inner power ব্যবহার করতে পারিনি।
সেদিন প্রথম বুঝেছিলাম—
সব ফাঁদ ভয়ের হয় না।
কিছু ফাঁদ
অত্যন্ত আরামের হয়।
আর সেই আরাম
মানুষকে ধীরে ধীরে
নিজের সীমার মধ্যেই
বেঁধে ফেলে।
সেই উপলব্ধিই
আমার জীবনের দিক বদলে দিয়েছিল।
কীভাবে আমি আমার কমফোর্ট জোন ভেঙেছিলাম
কমফোর্ট জোন ভাঙা
কখনও হঠাৎ হয় না।
ওটা কোনও একদিনের রাগের সিদ্ধান্ত নয়।
ওটা আসে দীর্ঘদিনের নীরব অস্বস্তি থেকে।
আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল।
যেদিন বুঝলাম
স্বস্তিই আমার সবচেয়ে বড় ফাঁদ,
সেদিনই বুঝেছিলাম—
এখানে আর বেশি দিন থাকলে
আমি নিরাপদ থাকব ঠিকই,
কিন্তু আমি বড় হতে পারব না… আমার true potential-এর লেভেলে career grow করবে না।
তাই আমি চাকরি বদলানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।
শুধু সংস্থা নয়—
আমি নিজের কাজের পরিচয়ই বদলে ফেললাম।
একটি Japanese multinational company-র safe, predictable job ছেড়ে,
আমি যোগ দিলাম একটা ছোট, single-owner দেশি সংস্থায়—
যাকে আমরা সাধারণভাবে “লালা কোম্পানি” বলি।
তারও ওপর—একেবারে নতুন ফ্যাক্টরি,
নতুন project ,অজানা ঝুঁকি।
লোকেশন— রোহতক–ফরিদাবাদ অঞ্চল।
আর Role?
একটি upcoming steel production unit-এর Factory Head।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা কিন্তু এই ছিল না।
আমি এতদিন কাজ করেছি
Sales & Marketigng-e।
আর এখন আমি ঢুকছি
Production,Quality plant control-er দায়িত্বে।
অফিস নয়—Shop Floor ।
Number ,volume নয়—যন্ত্র।
প্রেজেন্টেশন নয়—Production .।
অনেকেই প্রশ্ন করেছিল—
“এটা কি ঠিক সিদ্ধান্ত?”
“তুমি তো এই লাইনের লোক নও।”
“এত বড় ঝুঁকি কেন নিচ্ছ?”
সত্যি বলতে কী—
আমার নিজের মধ্যেও
ভয় ছিল।
New field.
New responsibilities.
New expectations.
কিন্তু সেই ভয়ের মধ্যেই
আমি একটা স্পষ্ট কথা শুনতে পাচ্ছিলাম—
এই ভয়ই প্রমাণ যে
আমি অবশেষে
কমফোর্ট জোনের বাইরে পা রাখছি।
ওই জাপানি সংস্থায়
আমার ছিল পরিচিত নিরাপত্তা।
এখানে ছিল
অনিশ্চয়তা।
কিন্তু এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই
আমি আবার
নিজেকে শিখতে দেখলাম।
ভুল করতে শিখলাম।
দায়িত্ব নিতে শিখলাম।
Decision নিতে শিখলাম।
প্রথমবার বুঝলাম—
স্বস্তির বাইরে
জীবন শুধু কঠিন নয়,
জীবন্ত।
সেদিন আমি একটা জিনিস পরিষ্কার বুঝেছিলাম—
কমফোর্ট জোন ভাঙা মানে
সব ছেড়ে দেওয়া নয়।
কমফোর্ট জোন ভাঙা মানে
নিজেকে আবার
নতুন করে গড়ার সাহস নেওয়া।
আর সেই সাহসই
আমাকে ধীরে ধীরে
আমার আসল শক্তির মুখোমুখি করেছিল।
During that period,
একটার পর একটা dramatic change ঘটল আমার জীবনে।
আমি অনেক কিছু শিখলাম,
যা comfort zone-এ থাকলে
impossible ছিল শেখা।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ,
আমি শিখলাম—
how to face difficult situations
with a cool mind,
and solve the toughest problems
one by one.
যেমন গরম লোহাকে
বারবার forge ও hammer করা হয়,
তেমনি জীবনের struggle আর challenges
আমাকে নতুন করে গড়ে তুলল।
সেই লড়াই, সেই গরম আগুনেই
আমি অন্য রূপ পেলাম।
আর সেই নতুন পরিচয়টাই হলো—
“Amit Lohar” –
the Iron Man of the Steel Industry.
পরের পর্বে আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব something new .Stay tuned.
Next episodeটা miss করবেন না।
We’ll meet again very soon