Corporate Daduji

A Corporate Daduji’s Creation

The Rise of Dholkobi-Part 5

Initial days of Dholkobi.Part 5


দৃশ্যপট: ২০০৩ সাল। বিই কলেজের বার্ষিক উৎসব *রেবেকার শেষ দিন। ক্যাম্পাস জুড়ে উৎসবের আমেজ, আকাশে হালকা ঠান্ডা হাওয়া। মঞ্চে জ্বলছে রঙিন আলো, আর পরশ পাথরের সুরে মুখরিত গোটা পরিবেশ। দর্শকদের উচ্ছ্বাসে ক্যাম্পাস যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।


২০০৩ সাল।
বিই কলেজের বার্ষিক উৎসব রেবেকার শেষ রাত।
ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে আছে উৎসাহের রঙ, হাসির ঝিলিক, আর স্মৃতির মায়া।
মঞ্চে তখন পরশ পাথর—সেই সময়ের তারকা, আমাদের সবার হৃদয়ের স্পন্দন।
তাদের গানে মুগ্ধ ক্যাম্পাস, যেন সময় থমকে দাঁড়িয়েছে।

মঞ্চে পরশ পাথরের শেষ গান ,শেষ । আলো ধীরে ধীরে ম্লান হয়। দর্শকরা আসনে বসে, তবু তাদের চোখে উৎসবের উত্তেজনা।

শেষ গানের সুর মিলিয়ে গেল।
মঞ্চের আলো নিভে এল, দর্শকরা আস্তে আস্তে আসনে বসে রইল।
রেবেকার আনুষ্ঠানিকতা শেষ, এখন শুরু হবে রাতের পার্টির আমেজ।
কিন্তু এই রাতের গল্প তখনো শেষ হয়নি।


দৃশ্য: মঞ্চের পেছনে একটি ছোট আড্ডা। পরশ পাথরের লিড ভোকালিস্ট Ayon দা, বিই কলেজের সিনিয়রদের সঙ্গে গল্পে মশগুল। তাদের হাসি আর নস্টালজিয়ার গল্পে রাত গভীর হচ্ছে।

Ayan দা—বিই কলেজের প্রিয় Singer।
তার সঙ্গে কলেজের বন্ধন ছিল পুরনো, গভীর, অটুট।
যেন এক নদীর স্রোত, যা বছরের পর বছর ধরে বয়ে চলেছে—
মিশে আছে নস্টালজিয়া, কৃতজ্ঞতা, আর অসংখ্য স্মৃতির গল্প।

ঠিক সেই মুহূর্তে,
প্রতীকদা এক বন্ধুকে পাঠালেন ঢোলকবিকে ডাকতে।
“ওকে বল, আমি ডাকছি। এখনই আসুক!”

বার্তা পেয়ে তার চোখে বিস্ময়। সে দ্রুত ছুটে আসে মঞ্চের দিকে।

ঢোলকবি অবাক, একটু ঘাবড়েও।
কিন্তু সে ছুটে এল মঞ্চের কাছে।
পৌঁছাতেই প্রতীকদা তাকে নিয়ে গেলেন সরাসরি Ayan দার কাছে।
হাসিমুখে পরিচয় করিয়ে দিলেন—
“এই হল আমাদের ঢোলকবি। আর এই হলেন আমাদের কিংবদন্তি, Ayan দা।”
তারপর, এক দুষ্টু হাসি দিয়ে বললেন,
“এবার তুমি গান গাও। আমাদের সামনে, Ayan দার সামনে!”

ঢোলকবির মুখ ফ্যাকাশে। তার চোখে বিস্ময়, হৃদয়ে এক অজানা উত্তেজনা। চারপাশ থেকে বন্ধুদের উৎসাহের কোরাস—“গাও, তুমি পারবে!”

ঢোলকবি স্তব্ধ।
মুহূর্তের জন্য তার পা যেন মাটিতে আটকে গেল।
Ayan দা-র মতো কিংবদন্তির সামনে গান?
কিন্তু প্রতীকদার চোখে অটল ভরসা, বন্ধুদের উৎসাহের ঝড়—
সব মিলিয়ে ঢোলকবির ভেতরে যেন একটা আগুন জ্বলে উঠল।

মঞ্চে ঢোলকবি। সে গাইতে শুরু করে। পটভূমিতে হালকা গিটারের সুর।

আর তারপর ঘটল জাদু।
ঢোলকবি গাইলেন পরশ পাথরের সেই বিখ্যাত গান—
“আজি গানের তালে হৃদয় দোলে, মিঠে বাতাস যায়রে বয়ে…”But not original .Remake created by Dholkobi.
তার কণ্ঠে ছিল আবেগ, ছিল স্বপ্ন, ছিল এক তরুণ শিল্পীর প্রাণের ডাক।
তারপর সে গাইলেন অঞ্জন দত্তের কালজয়ী গান—
“বসে আছি ইস্টিশানে…”But not original .Remake created by him

Ayan দা মুগ্ধ হয়ে শুনছেন। প্রতীক দার মুখে গর্বিত হাসি। দর্শকদের মধ্যে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা, তারপর হাততালির ঝড়।

সেদিনই প্রথমবার ঢোলকবি গাইলেন এক কিংবদন্তির সামনে।
তার গানে ছিল না শুধু সুর, ছিল তার হৃদয়ের গভীরতা।
সে গাইলেন আরও অনেক গান—
প্রতিটি নোটে মিশে গেল তার আত্মার আলোড়ন।
কিন্তু সবচেয়ে অবাক করা মুহূর্ত এল তখন,
যখন Ayan দা নিজে গাইলেন এমন কিছু গান—অনন্য, অপ্রকাশিত, অচেনা—
যা আমরা কখনো শুনিনি, ভাবতেও পারিনি।
যেন এক সঙ্গীতের রাজ্যের দরজা খুলে গেল সেই রাতে।

দর্শকরা মুগ্ধ, কেউ কেউ চোখের জল মুছছে।

সেই রাত থেকে গেল আমাদের স্মৃতির পাতায়—
এক জাদুকরী মুহূর্ত, যেন সময়ের ক্যানভাসে আঁকা এক অমর ছবি।
ঢোলকবির প্রথম বড় মঞ্চ,
তার স্বপ্নের প্রথম উড়ান,
আর এক কিংবদন্তির আশীর্বাদ।

কিন্তু এই রাত কি শুধুই একটা স্মৃতি হয়ে থাকবে?
ঢোলকবির এই উত্থানের পথে আর কী কী চ্যালেঞ্জ এল?
সেই ডায়েরি—যেখানে তার প্রথম সৃষ্টির ছোঁয়া লেগেছিল—
সেটি কি লিপিবদ্ধ করেছিল এই রাতের গল্প?
নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে আরও গভীর রহস্য?

এই রহস্যের উত্তর লুকিয়ে আছে পরের অধ্যায়ে—
The Rise of ঢোলকবি!