A Journey into Spirituality
আপনি কি কখনও ভেবেছেন…
কিছু মানুষ বারবার আঘাত দেয়,
কিন্তু তারপরও…
আপনার ভেতর থেকে সাহায্য করার ইচ্ছেটা কেন যায় না?
কেন আপনার হৃদয়
আঘাতের বদলে
দয়া বেছে নেয়?
কেন আপনি ভালো থাকেন
যখন পৃথিবী বদলে যায়?
উত্তরটা লুকিয়ে আছে—
একটা ছোট গল্পে।
আজ আমি যে গল্পটা বলতে চলেছি—
তাতে লুকিয়ে আছে spirituality-র আসল মর্ম।
এটা শুধু গল্প নয়…
এটা এক সত্যের খোলা দরজা।
একদিন শ্রী রামকৃষ্ণ নদীতে স্নান করছিলেন।
তার শিষ্য পাশেই দাঁড়িয়ে।
হঠাৎ তারা দেখল—
একটা ছোট্ট কাঁকড়াবিছে
জলে ডুবে যাচ্ছে…
হাত-পা ছুঁড়ছে…
মরতে বসেছে।
রামকৃষ্ণ সঙ্গে সঙ্গেই হাত বাড়ালেন তাকে তুলতে।
কিন্তু ছুঁতেই—
বিছেটি তাকে হুল ফুটিয়ে দিল।
ব্যথায় রামকৃষ্ণ হাত সরিয়ে নিলেন…
আর বিচ্ছুটি আবার জলে পড়ে গেল।
আবার ডুবছে।
শিষ্য ভেবেছিল—
এবার নিশ্চয়ই গুরুমশাই আর ছুঁবেন না।
কিন্তু না।
রামকৃষ্ণ আবার হাত বাড়ালেন।
আবার তুলে নিলেন।
এবারও—
বিচ্ছুটি আবার হুল ফুটাল।
শিষ্য চেঁচিয়ে উঠল—
গুরুমশাই! আপনি তাকে বাঁচাচ্ছেন কেন?
ও তো বারবার আপনাকে দংশন করছে!
ওকে মরতে দিন!
রামকৃষ্ণ খুব শান্তভাবে বললেন—
‘দেখো…
এই ছোট্ট বিচ্ছুটি তার স্বভাব ভুলে যায়নি।
মরার মুখেও—
তার স্বভাব হুল ফোটানো।
তাহলে বলো—
আমি একজন মানুষ…
আমি কি আমার স্বভাব ভুলে যাব?
আমার স্বভাব হলো—
দয়া।
মমতা।
সেবা।
মানবতা।
🌟 এখন প্রশ্ন—Spirituality মানে আসলে কী?
এই গল্পটা শুনে একটা প্রশ্ন ওঠে—
Spirituality মানে ঠিক কী?
এটা কি শুধু পূজা?
নিয়ম-কানুন?
অনুষ্ঠান?
রীতিনীতি?
না।
Spirituality তার থেকেও বড় কিছু।”
Spirituality মানে—
নিজের আসল স্বভাবকে চিনে ফেলা।
নিজের সত্য পরিচয় মনে করা।
গীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন—
‘মমৈবাংশো জীবলোকে জীবভূতঃ সনাতনঃ।’
মানে—
“তুমি আমার অংশ।
তোমার উৎস divine।
তোমার পরিচয় চিরন্তন।
তাহলে spirituality শেখায় কী?
যে মানুষ যেমনই হোক,
তার আচরণ যেমনই হোক—
তুমি তোমার স্বভাব ভুলবে না।
কেউ আঘাত দেবে।
কেউ ভুল বুঝবে।
Someone may betray you.
But their nature
doesn’t define your nature.
তোমার স্বভাব হলো—
ভালোবাসা।
দয়া।
সহানুভূতি।
সেবা।
বিচ্ছু যেমন তার স্বভাব ভুলে যায়নি—
তুমিও তোমার divine স্বভাব ভুলবে না।
Because spirituality মানে—
নিজেকে বদলানো নয়,
নিজের সত্যটাকে মনে করা।
ধন্যবাদ।