Title 1 :”সত্যের মুখোমুখি সিরাজ
🔴 “ঘটনা এক রকম ঘটে… কিন্তু প্রচার হয় আরেক রকম!”
এই বাক্যটা শুনেছেন তো?
🎞️ মুর্শিদাবাদ সিরিজের ১৪তম পর্বে আমি কথা দিয়েছিলাম…
🎯 “আমরা ঢুকব ইতিহাসের অন্দরমহলে — একে একে সত্য উন্মোচন।”
যেখানে আপনি আর আমি — একসঙ্গে খুঁজে বের করব সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর,
যেগুলো এতদিন চাপা পড়ে ছিল ইতিহাসের ধুলোমলিন পাতার নিচে।
📣 বন্ধুরা, এতদিন আমরা ইতিহাস শুনেছি — এখন সময় এসেছে ইতিহাসকে জিজ্ঞেস করার!
📖 আমরা খুলে দেখব প্রতিটি ঘটনার পেছনের ইতিহাস,
🔍 বুঝব প্রেক্ষাপট — আর বিচার করব যুক্তি দিয়ে।
কে আসল দোষী, কে নায়ক, আর কে ইতিহাসের ছায়া-চরিত্র — খুঁজে বার করব দলিল, যুক্তি আর বিবেক দিয়ে।
✨ আজ সেই কথা রাখতে এসেছি —
📜 শুরু করছি মুর্শিদাবাদ সিরিজের পঞ্চদশ (১৫তম) পর্ব!🎉✨
🌟 Special Advance Edition-এর প্রথম পর্ব!
🕵️ আজ আমরা মুখোমুখি হব — এক বিতর্কিত চরিত্রের!
👉 এক নবাব,
👉 এক যোদ্ধা,
👉 আর ইতিহাসের সবচেয়ে ভুল বোঝানো নাম — “সিরাজউদ্দৌলা!”
📢 আজকের প্রশ্ন:
👉 “সিরাজ কি সত্যিই দুশ্চরিত্র, নারীলোভী, আর অত্যাচারী ছিলেন?”
👉 “নাকি এটা পরিকল্পিত বদনাম?”
👉 “তিনি কি সত্যিই বাংলা, বিহার, ওড়িশার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন?”
👉 “না কি এটাও ইতিহাসের আধাসত্য?”
📢 বন্ধুরা…
এবার আর চোখ বুঁজে কিচ্ছু বিশ্বাস করব না।
এবার ইতিহাসকে প্রশ্ন করব!
👉 আপনি আর আমি — একসাথে ঢুকব ইতিহাসের অন্দরমহলে।
👉 খুলে দেখব সত্য, উল্টে দেব সাজানো গল্প।
👉 আর বিচার করব — কথায় নয়, যুক্তি আর প্রমাণে!
আজ শুরু হোক সেই বিচার — সত্যের মুখোমুখি সিরাজের কাহিনি দিয়ে!
👇 Stay with me — কারণ এখন শুরু ইতিহাসের আসল অভিযান!
🎯 Section 1: “কিভাবে এতো জনপ্রিয় হল সিরাজউদ্দৌলা?”
🎙️ বন্ধুরা…
আজকের প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে,
🕰️ Time Machine-এ চেপে আমাদের ফিরে যেতে হবে সেই ইতিহাসের গলিতে…
যেখানে শুধু সময় নয় —
🔥 আগুন ছিল, বিদ্রোহ ছিল, আর বুকভরা এক বিদ্রোহের স্পন্দন ছিল!
📅 ১৮৯৭ সাল…
ভারত তখন ব্রিটিশদের শিকলে বন্দি!
🪤 লুট চলছে…
🔗 শোষণ চলছে…
🔪 অত্যাচারে হাঁপিয়ে উঠেছে গোটা দেশ।
🔹 দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষ
🎙️১৮৯৭ সালে ভারতে মারাত্মক প্লেগ মহামারী ছড়িয়ে পড়ে (বিশেষ করে বম্বে ও পুনে অঞ্চলে), যার ফলে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। ব্রিটিশ সরকার জনগণের কষ্টের প্রতি ছিল উদাসীন। খাদ্যের অভাব, চিকিৎসার অভাব, ও সরকারের শোষণ মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন হয়ে উঠেছিল দুর্বিষহ।
📣দীর্ঘকাল ধরে ব্রিটিশদের দাসত্বে থাকার ফলে অনেক ভারতীয়র মধ্যে একধরনের হীনমন্যতা গেঁথে গিয়েছিল। ইংরেজদের সভ্যতা, শিক্ষা, বিজ্ঞানকে তারা শ্রেষ্ঠ বলে ভাবতে শুরু করেছিল। নিজেদের অতীত গৌরব, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয় ক্রমশ ভুলে যাচ্ছিল।
তবে এই সময়েই ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে শিক্ষিত, প্রগতিশীল মানুষদের মধ্যে একটা নতুন বোধ, নতুন চেতনার উন্মেষ ঘটছিল। তারা বুঝতে পারছিলেন – ভারতকে জাগাতে হবে। আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হবে। এবং এই জাগরণের পথপ্রদর্শক ছিলেন একজন মানুষ – স্বামী বিবেকানন্দ।
স্বামী বিবেকানন্দ প্রথম ভারতবাসীকে ঘুম ভাঙাতে চেয়েছিলেন — মানসিক ঘুম, আত্মবিশ্বাসের ঘুম, পরিচয়ের ঘুম।
তাঁর আহ্বান ছিল:
🔥 “উঠো, জাগো এবং লক্ষ্য পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত থেমো না!”
(“Arise, Awake and Stop not till the Goal is Reached”)
📜“স্বামী বিবেকানন্দ – শুধুমাত্র একজন সন্ন্যাসী নন,
তিনি ছিলেন সেই মহাপুরুষ,
যাঁর ছবি ঝুলত প্রায় প্রতিটি স্বাধীনতা সংগ্রামীর ঘরে।
তাঁর চোখের দীপ্তি যেন বলত —
‘ভয় পেও না! তুমি একজন ভারতীয়!'”
“তোমার ভিতরেই আছে শক্তি, সাহস, বিবেক –
তুমি হারার জন্য জন্মাও নি,
তুমি বিজয়ের জন্য জন্মেছ!”
এই ১৮৯৭ সালেই শুরু হয়েছিল ভারতীয় আত্মার নবজাগরণ।
📣 ব্রিটিশদের সেই শিকল ছিঁড়ে ফেলতেই – বিদ্রোহের 🔥 আগুন হয়ে উঠছে এক একটি প্রদেশ।
🔊 পাঞ্জাব, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, তামিলনাড়ু – কিন্তু সব কিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বাংলা!
হ্যাঁ… সেই বাংলা —
🕯️ যে বাংলা ছিল অগ্রদূত,
ছিল পথপ্রদর্শক,
ছিল প্রতিটি জাতীয় আন্দোলনের প্রথম আগুন!
📚 যে বাংলা জন্ম দিয়েছিল বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র, অরবিন্দ ঘোষ, খুদিরাম —
শিক্ষা থেকে স্বাধীনতা, সাহিত্য থেকে সংঘাত — সবকিছুর সূচনা এখানেই!
🎙️ কিন্তু বন্ধুরা…
তারও বহু আগে,
যখন এখনও সুভাষ জন্মাননি,
যখন অরবিন্দ ঘোষ,খুদিরাম ছিলেন না,
যখন একদম নিঃশব্দে নিস্তব্ধ ছিল দেশের বুকে বিদ্রোহ —
ঠিক তখনই, সেই বাংলায় উঠেছিল একটা প্রশ্ন…
💥 “এই জনতার রক্ত গরম করাবে কে?”
🔥 “Who will be our role model?”
⚔️ “কে হবে সেই আদর্শ চরিত্র,
যার নাম শুনলে বুক ফাটবে গর্বে?
যার পদচারণায় কাঁপবে সাম্রাজ্যবাদ?”
📜 আর তখনই…
বাংলার কিছু চিন্তাশীল লেখক, ঐতিহাসিক আর বিপ্লবী কলম হাতে তুলে নিলেন।
তাঁরা নামলেন ইতিহাসের গভীরে —কারণ ইতিহাসের চেয়ে ভালো মাধ্যম আর কিছু হতে পারে না।
কারণ ইতিহাসের ঘটনা মানুষ অনুভব করতে পারে, কল্পনায় দেখতে পারে, এবং সেই অভিজ্ঞতা তাদের মনকে নাড়া দেয়।Power of Visualization
তাঁরা নামলেন ইতিহাসের গভীরে —
🕯️ ধুলো পড়া দলিল, ভুলে যাওয়া কাহিনি, চাপা পড়া নামের খোঁজে।
💥 এবং হঠাৎই…
তাঁরা খুঁজে পেলেন এক বিস্মৃত আগুনকে!
👑 এক নায়ক, এক নবাব…
নাম – নবাব সিরাজউদ্দৌলা!

যিনি ছিলেন প্রথম মানুষ, যিনি ব্রিটিশদের চোখে চোখ রেখে কথা বলেছিলেন! জবাব দিয়েছিল!
💥 হ্যাঁ বন্ধুরা…
এই ভারতবর্ষে,
⚔️ সিরাজই ছিলেন সেই প্রথম নেতা,
👉 যিনি ব্রিটিশদের শাস্তি দিয়েছিলেন,
👉 যিনি ওদের বিরুদ্ধে প্রথম যুদ্ধ করেছিলেন,
👉 যিনি ফোর্ট উইলিয়াম আক্রমণ করে ইংরেজদের চিত করে দিয়েছিলেন!
👑 “সেই যুবক নবাব…
মাত্র ২৩ বছর বয়সে…
দাঁড়িয়েছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে —
বুক টান করে, নির্ভীকভাবে, ভয় না পেয়ে!”
🔹 নিপীড়িত মানুষ চায় একজন নায়ক…
🔹 জাতীয়তাবাদ চায় একজন বীর…
🔹 আর জনগণ চায় একজন ট্র্যাজিক মিথের পুনর্জাগরণ…
📣 আর সেইজন্যই — সিরাজউদ্দৌলা হয়ে উঠলেন সেই নায়ক, সেই প্রতীক,
👉 যিনি প্রতিরোধ করেছিলেন একা হাতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে।
⚔️তাঁর পরাজয় ছিল বেদনাদায়ক
🎯 সিরাজ ছিলেন ভারতীয় চেতনার প্রথম দাবানল!
📣 আর সেইজন্যই ১৮৯৭ সালে বাংলার লেখকেরা ঠিক করলেন –
সিরাজকে ফিরিয়ে আনতে হবে।
মানুষকে মনে করাতে হবে – প্রথম যে লড়াইটা শুরু করেছিল, তার নাম সিরাজউদ্দৌলা।
📚 তখন লেখা শুরু হল নাটক, উপন্যাস, কবিতা।
তিনি হয়ে উঠলেন আবেগ, বেদনা, শক্তি – আর দেশপ্রেমের প্রতীক।
📚 শুরু হল নাটক লেখা, গবেষণা, কলমের যুদ্ধ।
কারণ…
👉 “কলমের শক্তি, তলোয়ার থেকেও বেশি!”
👉 Pen is mightier than the sword.
🖋️ বিহারীলাল সরকার
🖋️ অনন্ত কুমার দে
🖋️ নিখিলনাথ রায়
🖋️ কালীপ্রসন্ন বন্দ্যোপাধ্যায়
এবং আরও অনেকে…
তাঁদের কলমে সিরাজ হয়ে উঠলেন —
একজন ট্র্যাজিক মিথ, একজন নিপীড়িত জাতির নীরব চিৎকার।
🎭গিরিশচন্দ্র ঘোষের নাটক…মঞ্চে উঠলেন সিরাজ — আর নাটক হয়ে উঠল জনতার অস্ত্র!

১৮৭৬ সাল।
কলকাতা শহরের আলো-আঁধারির মাঝে
ন্যাশনাল থিয়েটারের মঞ্চে প্রথমবার উঠে এলেন — সিরাজউদ্দৌলা!

🎙️গিরিশচন্দ্র ঘোষ, সাহস করে ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠার ভেতর থেকে
টেনে আনলেন এক বিস্মৃত নবাবকে।
তিনি নাট্যরূপে তুলে ধরলেন —
👉 এক তরুণ নবাবের ট্র্যাজিক মৃত্যু,
👉 তার নিষ্পাপ হৃদয়ের আত্মত্যাগ,
👉 রাজনীতির কূটচালে হেরে যাওয়া এক অভিজ্ঞতাহীন বালকের কান্না…
📣সিরাজ আর কেবল ইতিহাসের বইয়ে আটকে থাকা নাম নয়…
তিনি হয়ে ওঠেন এক জীবন্ত প্রতীক —
অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহস,
বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ,
আর প্রতিরোধের চূড়ান্ত মূর্তি।
👉 এক বিপ্লবী নবাব, এক বেদনাদায়ক ট্র্যাজেডি, এক সত্যিকারের নায়ক!
📜 মঞ্চে যখন অভিনয় শুরু হয়…
সিরাজের মৃত্যুর দৃশ্য যখন সামনে আসে —
প্রজার সঙ্গে বেঈমানির ছবি,
যুবক নবাবের চোখের জল,
রাজনীতি না বোঝা সরল হৃদয়ের কান্না…
দর্শকের গলা আটকে যায়! চোখ ভিজে যায়!
🔥 মানুষের মন গলে গেল… রক্ত টগবগ করে উঠল!
কারণ মানুষ বুঝতে পারল —
এই সিরাজ তো শুধু ইতিহাসের পাতায় নয়,
আমাদের মধ্যেই আছে — অবহেলিত, অপবাদগ্রস্ত এক সংগ্রামী রক্ত!
🎯এই নাটক শুধু সিরাজকে ফিরিয়ে আনেনি —
এটা বাংলার মঞ্চে ফিরিয়ে এনেছিল বিদ্রোহের চেতনা।
“আপনি জানেন? ১৮৭৬ সালে গিরিশচন্দ্র ঘোষ যখন সিরাজউদ্দৌলাকে নিয়ে নাটক মঞ্চস্থ করেন, বাংলার মঞ্চ সত্যিই কেঁপে উঠেছিল!”
📘 “আপনি যদি সেই দুর্লভ নাটকটি পড়তে চান…”

“আপনি যদি সেই হারিয়ে যাওয়া দুর্লভ নাটক —
গিরিশচন্দ্র ঘোষের ‘সিরাজউদ্দৌলা’
২২২ পৃষ্ঠার সম্পূর্ণ নাটকটি পড়তে চান,
📜
তাহলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন👇
🔗 [Download Link]”
🔥 এই নাটক শুধু এক ইতিহাস নয় — এটা এক রক্তমাখা বেদনার দলিল।
🎭 যেখানে নাট্যরূপে উঠে এসেছে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের কান্না, আত্মত্যাগ আর বিশ্বাসঘাতকের ছুরি!
📜 “আর পরে একে একে তাঁর পথ অনুসরণ করে সিরাজকে নিয়ে নাটক রচনা করেন —
🔺 ১৯০৬ — শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচনা করেন “বঙ্গভক্তের নাটক”
🔺 ১৯৩৮ — বনো (Bono) নাট্যরূপ দেন সিরাজের কাহিনিকে
🔺 ১৯৫৭ — আবু জাফর রচনা করেন শক্তিশালী নাটক
🖋️ শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত “বঙ্গভক্তের নাটক(১৯০৬)
🖋️ শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের বিস্মৃত রত্ন —
🎭 “বঙ্গভক্তের নাটক”

আপনি কি পড়তে চান সেই দুর্লভ ১৩৬ পৃষ্ঠার সম্পূর্ণ নাটকটি,
যেখানে উঠে এসেছে এক বাঙালির বেদনা, আত্মত্যাগ, আর স্বাধীনতার আর্তনাদ?
📘 এই নাটক শুধু সাহিত্য নয় —
এ এক জাতীয়তাবাদের আগুন, যা কখনও নিভে যায় না… 🔥
📜 তাহলে এখনই নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন 👇
🔗 [Download Link]
🎭 তারপর একে একে আরও নাটক, আরও মঞ্চ, আরও আলো-অন্ধকারে ফিরে এলো সিরাজ…
🔺 ১৯৩৮ — বনো (Bono) নাট্যরূপ দেন সিরাজের কাহিনিকে
🔺 ১৯৫৭ — আবু জাফর রচনা করেন শক্তিশালী নাটক
🎭শচীন্দ্রনাথের সংলাপ…
আবু জাফরের কলম…
এই সবই সিরাজকে ফিরিয়ে আনল সাধারণ মানুষের হৃদয়ে।
এইসব কলমই শুরু করল ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আত্মচেতনার প্রথম আগুন।”
🎓 গবেষণায় যুক্ত হলেন —
📚 বিহারীলাল সরকার, কালীপ্রসন্ন বন্দ্যোপাধ্যায়,
অঙ্কময় কুমার মৈত্র, নিখিলনাথ রায়, এবং আরও অনেকে।
🖋️ বিহারীলাল সরকার (Bihari Lal Sarkar)

বিহারীলাল সরকার এবং অন্যান্য শিক্ষাবিদ ও ঐতিহাসিকরা সিরাজউদ্দৌলার রাজনৈতিক ও প্রজাবৎসল চরিত্রটিকে তুলে ধরার জন্য বিদেশি ইতিহাস খণ্ডন করার চেষ্টা করেছিলেন
সিরাজউদ্দৌলা সম্পর্কে বিহারীলাল সরকারের লেখা “ইংরাজের জয়” নামক একটি রচনা ছিল, যা সিরাজউদ্দৌলার চরিত্র সম্পর্কে আলোচনা করেছে. তিনি বিদেশি ইতিহাসকে খণ্ডন করে সিরাজউদ্দৌলার রাজনৈতিক ও প্রজাবৎসল চরিত্রটিকে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন.
প্রকাশকাল: আনুমানিক ১৮৯৫–১৯০০ সালের মধ্যে
ইতিহাসের উপেক্ষিত এক সাহিত্য সম্পদ!”
🖋️ বিহারীলাল সরকারের লেখা
🎭 “ইংরাজের জয়” — এক ঐতিহাসিক নাট্যদলিল!
📘 আপনি যদি পড়তে চান সেই দুর্লভ ১৩৬ পৃষ্ঠার সম্পূর্ণ নাটকটি,
যেখানে আছে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বাংলার যন্ত্রণা, ক্ষোভ আর প্রতিরোধের গর্জন…
তাহলে আর দেরি নয় —
📜 এখনই নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন 👇
🔗 [Download Link]

🔥 এই নাটক শুধু নাটক নয়,
এটা এক নিঃশব্দ বিদ্রোহ… এক হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের কণ্ঠস্বর!
🧑🏫 অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় -(Akshay Kumar Maitreya)
অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় সিরাজউদ্দৌলাকে নিয়ে তাঁর গবেষণামূলক কাজ করেন মূলত উনবিংশ শতকের শেষভাগ থেকে বিশ শতকের প্রথম দশকে — অর্থাৎ আনুমানিক ১৮৯০–১৯১০ সালের মধ্যে।
📌 এই সময়কালেই তিনি ব্রিটিশদের লেখা একতরফা ইতিহাসকে চ্যালেঞ্জ করে সিরাজের পক্ষে তথ্যভিত্তিক যুক্তি দেন এবং তাঁকে এক ট্র্যাজিক বীর ও ব্রিটিশ-বিরোধী প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন।
তিনি তখন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় গবেষক এবং ‘Bangiya Sahitya Parishad’-এর প্রতিষ্ঠাকাল (১৯০৭) এর অন্যতম প্রধান চিন্তাবিদও ছিলেন।
সুতরাং, ১৮৯০–১৯১০ সালের মধ্যে তাঁর সিরাজ-বিষয়ক গবেষণা প্রকাশ পেতে শুরু করে, যা পরে বাংলা জাতীয়তাবাদী ইতিহাসচর্চায় দিকনির্দেশক হয়ে ওঠে।
অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় বিশ্বাস করতেন,
👉 ব্রিটিশ শাসকরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সিরাজউদ্দৌলাকে ‘দুর্বল’, ‘অপরিণত’ ও ‘চরিত্রহীন’ হিসেবে তুলে ধরেছে,
যাতে তাঁকে পরাজিত করাকে ন্যায়সঙ্গত ও প্রয়োজনীয় বলে প্রমাণ করা যায়।
🖋️ তিনি তাঁর গবেষণায় সিরাজউদ্দৌলাকে একজন সাহসী, দেশপ্রেমিক এবং ব্রিটিশ শোষণের বিরুদ্ধে প্রথম সরাসরি প্রতিবাদকারী নেতা হিসেবে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন:
“সিরাজ ছিলেন না কোনও চরিত্রহীন রাজা। তিনি ছিলেন এক তরুণ, যিনি নিজে চোখে দেখেছিলেন কীভাবে ইংরেজরা বাংলার অর্থনীতি, সমাজ ও রাজনীতিকে ধ্বংস করছে। তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন, আর সেই কারণেই তাঁকে মেরে ফেলা হয়েছিল — শারীরিকভাবে নয়, চরিত্র হননের মাধ্যমে।”
📚 তাঁর কাজ ও প্রভাব:
✅ তাঁর কাজ পরবর্তী গবেষকদের জন্য পথ খুলে দেয় —
বিশেষত নিখিলনাথ রায়, বিহারীলাল সরকার, এবং আবু জাফর-দের মতো গবেষকরা তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করেন।
✅ সিরাজউদ্দৌলার ‘ভুল চরিত্রায়ন’ ভেঙে দিয়ে তিনি তাঁকে “ট্র্যাজিক হিরো” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

🖋️ অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়ের লেখা
📚 “সিরাজউদ্দৌলা” – এক ঐতিহাসিক মহাগ্রন্থ!
🔥 ৪৩২ পৃষ্ঠার এই বিশাল গবেষণাধর্মী রচনা বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে ঘিরে লেখা,
যেখানে আছে বিশ্বাসঘাতকতা, রাজনীতি, প্রেম, যুদ্ধ আর বেদনার ইতিহাস!
এটা শুধু ইতিহাস নয় —
এটা এক জাতির আত্মচেতনার দলিল!
📜 আপনি যদি এই দুর্লভ গ্রন্থটি সম্পূর্ণ পড়তে চান,
তাহলে আর দেরি নয় —
এখনই নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন 👇24 MB-মোট পৃষ্ঠা-432
🖋️ নিখিলনাথ রায় (Nikhilnath Ray)
তাঁর লেখা বই:📘 “Murshidabad Kahini” | মুশির্দাবাদ-কাহিনী
এই বইতে নিখিলনাথ রায় সিরাজউদ্দৌলার শাসন, মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতা, লুৎফুন্নিসার প্রতি সিরাজের ভালোবাসা ইত্যাদি বিষয়ে গভীরভাবে আলোকপাত করেন।
প্রকাশকাল: আনুমানিক ১৯৩৫–১৯৪০ সালের মধ্যে

📘 “মুর্শিদাবাদ কাহিনী” – এক ঐতিহাসিক মহাকাব্য!
🏰 সিরাজউদ্দৌলা, আলীবর্দী খাঁ, নবাবি রাজনীতি, বিশ্বাসঘাতকতা,
মীরজাফর, লুৎফুন্নিসা, খোসা বেগম –
সব চরিত্রের গভীর, সংবেদনশীল বর্ণনা আছে এই ৪২০ পৃষ্ঠার ক্লাসিক বইটিতে!
📖 এটি শুধু ইতিহাস নয় —
এটি এক ধূসর স্মৃতিচিহ্নে মোড়া বাংলার হারানো গৌরবের দলিল!
📜 আপনি যদি পুরো বইটি পড়তে চান,
তাহলে আর দেরি নয় —
এখনই নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন 👇35 MB-মোট পৃষ্ঠা-420
নাটকে সিরাজ হয়ে উঠলেন এক ট্র্যাজিক হিরো –
যার সাহস ছিল, আবেগ ছিল — কিন্তু চারপাশ ছিল বিশ্বাসঘাতকে ভরা!”
মীরজাফর, ঘসেটি বেগম, জগৎ শেঠ — এরা শুধু মানুষ নয়, বাংলার বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক।
একজন তরুণ নবাব, সিরাজউদ্দৌলা —
যিনি নিজের মাতৃভূমিকে বাঁচাতে চেয়েছিলেন,
কিন্তু নিজের লোকেরাই তাঁকে বিক্রি করে দিল ব্রিটিশদের হাতে।
⚔️ সেই ব্যথা আজও ইতিহাস নয় — বাঙালির হৃদয়ের যন্ত্রণা।
🎭 তাই সিরাজ শুধু একজন পরাজিত নবাব নন —
তিনি হয়ে উঠেছেন:
🔥 এক প্রজন্মের অনুপ্রেরণা,
🔥 এক জাতির বিবেক,
🔥 এক সাহিত্যিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
✍️ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, আভি ঠাকুর সহ বহু লেখক নাটক-উপন্যাসে সিরাজকে তুলে ধরেছেন —
একজন মানুষ হিসেবে নয়, বরং একজন প্রতীক হিসেবে:
প্রতারণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ,
পরাজয়ের মাঝেও মর্যাদার আলোকবর্তিকা!
📢সিরাজউদ্দৌলা ইতিহাসের পাতা নয় —
বাংলার আত্মপরিচয়ের প্রথম বজ্রগর্জন!
তিনি আমাদের মনে করিয়ে দেন —
👉 সাহস থাকলেই যথেষ্ট নয়,
👉 চারপাশে সততা না থাকলে ইতিহাস বদলে যায় বিশ্বাসঘাতকদের হাতে!
📚 আজ যখন আমরা সিরাজকে স্মরণ করি,
আমরা আসলে নিজেদের প্রশ্ন করি —
আজও কি আমরা সেই বিশ্বাসঘাতকদের মাঝেই বাঁচছি?
বন্ধুরা, আজ এখানেই ইতি — আবার দেখা হবে পরবর্তী অধ্যায়ে…