Corporate Daduji

A Corporate Daduji’s Creation

Meghbalika

হস্তিনি বালিকার জন্য রূপকথা


আমি যখন Rich-e ছিলাম

খেলতে যেতাম Oval মাঠে

একদিন এক পান্ডিয়ার মেয়ে

প্রশ্ন করলো কৌতুহলে

‘এই ছেলেটা, নাম কি রে তোর?’

আমি বললাম, ঢোলাস ঢোলাস

মেঘবালিকা তো রেগেই আগুন,

মিথ্যে  কথা, এমন অদ্ভুত নাম হই কি কারুর

আমি বললাম, নিশ্চয়ই হয়, আগে আমার ফান্ডা শোনো

সে বলল, শুনবো না যাঃ, সেই তো একই প্রপোজ,পত্রপাচার,

সেই তো একই লাল সালওয়ার

Hamburger আজগরদায়ের।

ওসব বোরিং, ওসব বাজে।

আমি বললাম, তোমার জন্য লিখব তবে নতুন Story.

সে বলল, সত্যি লিখবি!

বেশ তাহলে মস্ত করে লিখতে হবে।

সে বলল নিজে লিখবি, টুকে লিখলে বিপদ তোরই,

আর হা, লিখেই কিন্তু আমায় দিবি।

মনে থাকবে?

আমি বললাম, “টুকব কেন?
আমি কি আর Annu Mallik?

আমি বললাম, তোমার জন্য লিখতে পারি এক পৃথিবী।

লিখতে লিখতে  লেখা যখন সবে মাত্র কয়েকটা লাইন

হঠাৎ তখন আমার মাথায় চাপল Valentine

চৌদ্দই ফেব্রুয়ারি খুঁজতে খুঁজতে চলে গেলাম মুচিপাড়াতে .

কেস খেয়েছে চেনা Piece তো একটিও নেই এ তল্লাটে

 হঠাৎ দেখি একজনকে ওদেরই মধ্যে Hatke Jara.

Boxing রিংয়ে গিয়ে বলি তাকে

তুমিই কি সেই Miss কুজ্জটিকা,

তুমিই কি সেই?

সে বলল কিছুই কি নেই লজ্জাসরম,

কিছুই কি নেই?

আমি বললাম তুমি আমায় লেখার কথা বলেছিলে,বিদিশা ঝিলের ধারে.

সে বলল, সঙ্গে আছে? পাঠিয়ে দাও Rebecstatique.

আর হ্যা, শোন, এখন আমি মিস নই আর

সবাই এখন মিসেস বলে ডাকে আমায়।

বলেই হঠাৎ বাচ্চা কাঁখে,
Top to bottom আমায় পুরো বোমকে দিয়ে,
হলদে পানা Shuttle Taxi বাগিয়ে নিয়ে
মিলিয়ে গেল 1st গেটেতে
ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল সেই ভিড়ে।

মিলিয়ে গেল ভিড়ের মাঝে। দূরে কোথায়, দূরে দূরে…।

মিসেস বলে ডাকে আমায়….

মিসেস বলে ডাকে আমায়….আপন মনে বলতে বলতে

আমিই কেবল বসে রইলাম ভিজে এক-সা কাপড় জামায়

ভাবতে ভাবতে বসে রইলাম Boxing Ring-e

Miss নাকি মিসেস এর জন্য?

======Then Song ====

চোখে আমার তৃষ্ণা – -Rabindra Sangeet

======Song End====

এমন সময় অন্য একটি মেয়ে আমায় চিনতে পেরে বলল

তাতে মন খারাপের কি হয়েছে?

যাও ফিরে যাও-লেখ আবার

এখন পুরো Semester চলছে,

তাই তো আমরা সবাই এখন নানান কাজে ভীষণ ব্যস্ত

তুমিও যাও, মন দাও গে তোমার কাজে।

Semester শেষে আমরা নিজেই যাব তোমার কাছে।

Veg কবিতা লিখবো আমি

Veg কবিতা লিখবো বলে ঘর ছেড়ে সেই বেড়িয়ে গেলাম

ঘর ছেড়ে সেই ঘর বাঁধলাম দক্ষিণ বনে (Chennai-e)

সঙ্গী শুধু কাগজ কলম

একাই থাকব, একাই দুটো Idly খাব

Sambar বড়া দু এক মুঠো যখন যারা আসবে হাতে

তাদের খাব, খেয়েই যাব।

এক পৃথিবীর একশ রকম স্বপ্ন দেখার

সাধ্য থাকবে যে রূপকথার

সে রূপকথা আমার একার।

ঘাড় গুজে দিন লিখতে লিখতে

ঘাড় গুজে রাত লিখতে লিখতে

মুছেছে দিন মুছেছে রাত

যখন আমার লেখবার হাত অসাড় হল

মনে পড়ল, সাল কি তারিখ, বছর কি মাস

সেসব হিসেব আর রাখি নি।

লেখার দিকে তাকিয়ে দেখি

এক পৃথিবী লিখব বলে একটা খাতাও শেষ করিনি।

সঙ্গে সঙ্গে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি এল খাতার উপর,

আজীবনের লেখার উপর

বাইরে তখন গাছের নিচে নাচছে ময়ূর আনন্দিত

এ গাছ ও গাছ উড়ছে পাখি, বলছে পাখি

এই অরণ্যে কবির জন্যে আমরা থাকি

বলছে ওরা, কবির জন্য আমরা কোথাও,

আমরা কোথাও, আমরা কোথাও হার মানিনি।

কবি তখন কুটির থেকে, তাকিয়ে আছে অনেক দূরে

বনের পরে মাঠের পরে নদীর পরে

সেই যেখানে সারা জীবন বৃষ্টি পড়ে বৃষ্টি পড়ে

সেই যেখানে কেউ যায়নি, কেউ যায় না কোনদিনই

আজ সে কবি দেখতে পাচ্ছে

সেই দেশে সেই ছাঁদনা তলায়

এদিক ওদিক ছুটে বেড়ায়

মাস্ক পড়া সেই ডাকিনী যোগিনী

সোনায় মোড়া সেই হরিণী।

===================

 হস্তিনি বালিকার জন্য রূপকথা

a remake poem created by জীবন যুদ্ধে হেরে যাওয়া এক কবি-পরাজয় গোস্বামী –ওরফে ঢোলকবি



মেঘবালিকার জন্য রূপকথা – জয় গোস্বামী

মেঘবালিকার জন্য রূপকথা কবিতা। কবি জয় গোস্বামী। Meghbalikar