আমি যখন ছোট ছিলাম…
আমি ছিলাম – খেলাধুলার জন্য এক পাগল ছেলে! ⚽🏏ফুটবল, ক্রিকেট… মাঠ মানেই ছিল আমার রাজ্য।
কিন্তু একদিন মা আমায় ডেকে বললেন –👩👦
🗣️‘এইসব খেলাধুলা করে জীবন চলে না রে বাবা…
লাইফে কিছু করতে হলে পড়াশোনায় মন দে। খেলাধুলা শখ হতে পারে, ভবিষ্যৎ না।’
😶 আমি চুপ করে গেলাম।
Realize it মাথা নিচু করে, সেই দিন থেকেই খেলাধুলাকে যেন জীবনের বাইরে ঠেলে দিলাম…
👨👩👦বাবা-মাও বলতেন –“এক লক্ষ্যেই ফোকাস করো!”
মাল্টি-ফোকাস মানেই বিপদ, জীবন খারাপের দিকে ঘুরে যেতে পারে।’
🔱 গীতায় বলা আছে –
👑 “ব্যবসায়াত্মিকা বুদ্ধির একেহ কুরুনন্দন…
বহুশাখা হ্য়নন্তাশ্চ বুদ্ধয়োऽব্যবসায়িনাম্॥” 🙏
Vyavasāy ātmikā buddhir ekeha kurunandana।
bahu śākhā hy anantāśca buddhayo’vyavasāyinām॥”
📚 তারপর 1st attempt-e WBJEE দিয়েই ভর্তি হলাম
👉 BE College, Shibpur – Metallurgy ডিপার্টমেন্টে।
🎉 কলেজের প্রথম দিন… নতুন জীবন…
আর ঠিক সেই দিনেই জীবনের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত…
আমি প্রথমবার পা রাখলাম BE College-এর ওভাল প্লে গ্রাউন্ডে 🏟️
বুকের ভিতর কেমন যেন কেঁপে উঠলো…
আশ্চর্য!
সেই মাঠ যেন আমায় ডাকছিল… টানছিল…
একটা ঘোরের মধ্যে আমি হাঁটছিলাম সবুজ ঘাসের উপর দিয়ে। 🌱💚

সেই মাঠ… যতদূর চোখ যায়, কেবল সবুজ আর সবুজ…
এরকম দৃশ্য আমি আগে শুধু TV তেই দেখেছি…
আজ নিজে সেই মাঠে দাঁড়িয়ে…
🎮 “আজও চোখ বন্ধ করলেই ভেসে ওঠে সেই প্রথম দিনের ওভাল মাঠে ফুটবল খেলার মুহূর্তটা…
⚽ সবুজ ঘাসের উপর দৌড়, গায়ে লেগে থাকা বিকেলের রোদ, আর কানে বাজছে বন্ধুদের হাসির আওয়াজ…
সেই দিন, সেই মাঠ, সেই অনুভব – আজও আমার হৃদয়ে গেঁথে আছে অক্ষয় স্মৃতির মতো!” 🌅💚
আমার সেই চরম ছড়ু Goalkeeping পারফরম্যান্স দেখে 👀
College team-এর গোলকিপার – কৌশিক সাহু –
দাঁত বের করে হাসতে হাসতে বলে ফেলল… 😆
‘তুই গোলকিপার না Gatekeeper!
বল তো আটকাস না, বরং সবকটা বল নিজে হাতে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকিয়ে দিস!’ 😅😂
পুরো মাঠ হেসে গড়াগড়ি খাচ্ছে, 😳
👉 এটা ছিল শুরু একটা নতুন জার্নির

আমি খেয়াল করলাম – এই BE College-এর ছেলেগুলো শুধু পড়াশোনায় নয়, খেলাধুলাতেও ভালো💥💪ওদের ফুটবল স্কিল, ক্রিকেট পারফরম্যান্স, একদম পেশাদারদের মতো 🎯
ওদের দৌড়, বল কন্ট্রোল, ট্যাকল – সব কিছু দেখে আমি মুগ্ধ… 😯
এরা শুধু অ্যাথলিট না… এরা অসাধারণ মেধাবী ছাত্রও! 🎓🧠
📚সেমিস্টারে ভালো রেজাল্ট করছে, আবার মাঠেও দুর্দান্ত পারফর্ম করছে!
তখনই আমার ভিতরে তৈরি হল একটা প্রশ্ন –
“এইটা কীভাবে সম্ভব?” 🤔
জীবনে তো বলা হয়েছিল – একটাই লক্ষ্য ঠিক করো।
👉 খেললে পড়াশোনা নষ্ট হবে, পড়লে খেলাধুলা হবে না…
কিন্তু এখানে আমি দেখছি –
👉 এক দল মানুষ দুই দিকেই সমান পারদর্শী।
👉 ওদের মধ্যে ভয় নেই, দ্বিধা নেই, বাঁধা নেই – আছে শুধু প্যাশন আর ডেডিকেশন 🔥in Sports and as well as in education
🎤 সেই দিন একটা জিনিস আমি মন থেকে অনুভব করলাম –
জীবনে কখনও কখনও আমাদের শেখানো কথাগুলোই চ্যালেঞ্জ হতে পারে!
সবকিছু একটায় সীমাবদ্ধ না রেখে যদি মন খুলে যাই,
তবে হয়তো আমরা এমন কিছু শিখতে পারি – যা বদলে দেবে আমাদের ভবিষ্যৎ। 🌠
📍“প্রথম বর্ষ থেকে চতুর্থ বর্ষ – প্রতিদিন,
হ্যাঁ… প্রতিদিনই আমি যেতাম BE College-এর সেই ওভাল মাঠে…
খেলার জন্য, 🏃♂️
আর নিজের সঙ্গে নিজেকে লড়াইয়ে নামানোর জন্য। 🌅
🔊আজ… এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আমি একটা জিনিস স্পষ্টভাবে বলতে চাই –
👉 একটা স্বীকারোক্তি করতে চাই…
💬না…আমি কোনওদিন কৌশিক সাহুর মতো দুর্দান্ত গোলকিপার হতে পারিনি।
সত্যি বলতে – ওর মতো উচ্চতায় পৌঁছনো আমার পক্ষেও জীবনে সম্ভব ছিল না…🧤⚽🙇♂️
কিন্তু…তবুও আমি হার মানিনি…
B.E. College-এর ওভাল মাঠে রেগুলার প্র্যাকটিস চালিয়ে গেছি… ⚽🌿
🔥আমি যা পারতাম, আমি ঠিক সেইটুকুই করেছি –
মন দিয়ে, প্রাণ দিয়ে, দিনের পর দিন, নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি…
আর সেই চেষ্টার, সেই ইচ্ছাশক্তির ফল আমি পেয়েছি –
সেইভাবেই… যেভাবে কখনো কল্পনাও করিনি! 🙏✨
🌿ওভাল মাঠটা আমার কাছে ছিল এক ‘তপস্যাস্থল’…
যেখানে আমি প্রতিদিন যেতাম নিজের সীমাবদ্ধতাকে চ্যালেঞ্জ করতে!
👉 আমি জানতাম, আমি Star Player,Talented নই,Not physically fit
কিন্তু আমি জানতাম – আমি Quit করব না! 🚫🏳️
এটাই ছিল আমার Commitment!”I have indomiatble spirit & never give up attitude and Bounce back ability from every setback.
📢“Metallurgy Department – BE College-এর একটা ছোট্ট (Batch Strenght 30 per year) , প্রায় অবহেলিত ডিপার্টমেন্ট…
না glamour ছিল, না star player ছিল, না কেউ আমাদের নাম পাত্তা দিত ঠিকঠাক!
🎓⚙️কিন্তু আমাদের ছিল একটা জিনিস –
👉 হার না মানা স্পিরিট,
👉 একে অপরের প্রতি বিশ্বাস,Want to win cup for Mr Pratik Mullik,our Hero .
আর ছিল সেই মাঠ… সেই ওভাল মাঠ,
যেটা আমায় শিখিয়েছিল –
‘তুমি ছোট নও, যদি তোমার মনটা Desireটা বড় হয়!’ 💥💚
🎯আর সেই বিশ্বাসের জোরেই একদিন –
এই ছোট্ট Department-টাই Football-e 1st time Inter Department Championship জিতে নিল! 🏆⚽
👉 হ্যাঁ, আমাদের ছোট্ট টিমটাই হয়ে উঠলো BE College Football Champion!🎉🎖️Noboday can even image about it but we have achieve it finally.
🏆 ২০০৪ — ইন্টার-ডিপার্টমেন্টাল ফুটবল চ্যাম্পিয়ন!
🏆 ২০০৫ — আবারও ইন্টার-ডিপার্টমেন্টাল চ্যাম্পিয়ন!
(দুই বছর টানা ইন্টার-ডিপার্টমেন্টাল Football চ্যাম্পিয়ন Metallurgy Department🥇)
🔥আর ৪র্থ বর্ষে…
Rich Hostel – Inter-Hostel Championship-এও আমরাই জিতেছিলাম!
কেউ ভাবতেও পারেনি…
কিন্তু আমরাই প্রমাণ করেছিলাম –
👉 ‘Size doesn’t matter, Spirit does!’ 🛡️🔥
📣সেদিন বুজেছিলাম – খেলায় বা জীবনে, এগিয়ে যাওয়ার জন্য স্টার হওয়ার দরকার নেই…
👉 দরকার শুধুই প্যাশন, সততা,
আর একটানা লেগে থাকার সাহস!” 🎯❤️🔥
🙏বন্ধুরা, খেলায় হোক বা জীবনে –
তুমি সবসময় সেরা হতে পারবে না…
কিন্তু তুমি চাইলে –
নিজেকে হারানো থেকে নিজেকেই বাঁচাতে পারো!
এটাই সবচেয়ে বড় জয়!” 🧠❤️🔥
তুমি যদি ভাবো তুমি ছোট –
তাহলে মনে রেখো, তোমার কাজই তোমাকে বড় করে তুলবে! 💪🌱
আর যদি তুমি নিজের উপর বিশ্বাস রাখতে পারো –
তবে অসম্ভবও একদিন সম্ভব হয়ে উঠবে! 🌠✨
কিন্তু যদি বিশ্বাস না রাখো…
তাহলে যত বড় স্বপ্নই দেখো না কেন,
সবটাই ভেঙে যাবে একদিন…!” 💔🚫
🔔“বিশ্বাস = সম্ভব
অবিশ্বাস = অসম্ভব
সব খেলার শুরু আর শেষ হয় এই দুই লাইনের মাঝে!” 🎯🔥
🎤তুমি কী কখনও এমন কোন কাজ করেছো
যেখানে তুমি জানো তুমি সেরা নও,
তবুও তুমি মন দিয়ে করে গিয়েছো – শুধু নিজেকে প্রমাণ করার জন্য?
👇 কমেন্টে লিখে জানাও…
তোমার লড়াইটা আমি শুনতে চাই। 🙏
📢 আর যদি এই কথাগুলো মন ছুঁয়ে যায় –
তাহলে ❤️ দিয়ো, সাবস্ক্রাইব করে পাশে থেকো…
আরও অনেক এমন বাস্তব, গভীর, অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প নিয়ে ফিরে আসছি আমি – খুব তাড়াতাড়ি!”
Good Bye.
Read next blog :সেই Oval Ground — যেখান থেকে উড়তে শিখেছিলাম