A Corporate Panchatantra Special Edition
🎙️ নমস্কার বন্ধুরা! 🙏
আজকের Corporate Panchatantra-তে আপনাদের স্বাগতম!
যেখানে প্রাচীন গল্পের timeless wisdom মিশে যায় modern corporate boardroom-এর experience-এর সাথে…
আর প্রতিটা গল্প আপনাদের দেয় এমন এক lesson 🎯 — যা শুধু মনে নয়, জীবনে ও কাজে লাগবে!
আজকের episode? 💎
একটা ছোট্ট কিন্তু power-packed গল্প — পিঁপড়ে আর পায়রা /কবুতরের কাহিনি 🐜🕊️।The Ant & The Pigeon Story.
একটা গল্প, যা ছুঁয়ে যাবে আপনার মন ❤️, খুলে দেবে আপনার মনের দরজা
আর আপনাকে নতুন করে ভাবাবে —
আপনার Freinds, সহকর্মীদের আপনি আসলে কতটা value দেন? 🤝
⚠️ কিন্তু থামুন… 📌
গল্পের পরেই আমি শেয়ার করব একটা real corporate-world example
যেখানে থাকবেন এমন personalities, যাদের আপনি চেনেন,
আর শোনাবো সেটা Corporate দাদুজি-র signature style-এ 😎
তাহলে বন্ধুরা, coffee cup ☕ হাতে নিন,
কারণ এই গল্প শুধু entertainment নয়, pure enrichment! 🌟
🌊🌳 Once upon a time…
নদীর ধারে ছিল এক প্রাচীন বটগাছ 🌳,
তার এক উঁচু ডালে থাকত এক বুদ্ধিমতী পায়রা🕊️,
আর নিচে, গাছের গোড়ায় ছোট্ট গর্তে থাকত এক পিঁপড়ে 🐜।
দু’জনের জগৎ ছিল আলাদা…
কিন্তু দু’জনের মধ্যে ছিল এক bond of trust 🤝 — একেবারে অটুট!
☀️ একদিন দুপুরে, গরমটা এতটাই যে পিঁপড়েটা জল খুঁজতে খুঁজতে নদীর ধারে এলো…
পা পিছলে সোজা নদীতে পড়ে গেল 💦 — স্রোত ভয়ংকর, জীবন-মরণ পরিস্থিতি! 🚨
উপরে থেকে পায়রা দেখল বিপদটা…সে এক সেকেন্ডও নষ্ট করল না।
ঠোঁট দিয়ে একটা fresh সবুজ পাতা 🍃 ছিঁড়ে, সোজা জলে ফেলে দিল।
পিঁপড়েটা কাঁপতে কাঁপতে পাতায় উঠল…
পায়রা নেমে এসে পাতাটা ঠোঁটে ধরে, সোজা নিরাপদ তীরে নামিয়ে দিল 🛡️

⏳কিছুদিন পরে, সেই পায়রা একই গাছের ডালে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিল। হঠাৎ করে, একটা শিকারি এসে পায়রার দিকে তীর নিশানা করে ধরল। ঘটনাটি পিঁপড়েটি দেখতে পেল। সুযোগ বুঝে, পিঁপড়েটি ছুটে গিয়ে শিকারির পায়ে কামড় দিল। ব্যথায় শিকারি চিৎকার করে ওঠে, ফলে তার হাত কেঁপে গিয়ে তীর লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পায়রাটি এ সুযোগে উড়ে গিয়ে নিরাপদে চলে যায়.
💡 Moral of the Story:
জীবনে কেউ যখন অভাবে আপনার পাশে থাকে — সেই বন্ধুত্বই আসল।
Mutual support শুধু বন্ধুত্বের নয় — এটা corporate success-এরও সবচেয়ে বড় foundation। 🤝
🎬 Corporate দাদুজি’র গল্পের দ্বিতীয় অঙ্ক 🎯
বন্ধুরা, গল্পটা শোনার পর হয়তো অনেকেই ভাবছেন —
“আরে এ তো পুরোনো গল্প, আমরা সবাই জানি… what’s the big deal?”
তাহলে এখন শোনাই আপনাদের একটা real corporate-world example,
যেখানে থাকবেন এমন মানুষ — যাদের আপনি অনেকেই চেনেন… হয়তো নাম শুনে, হয়তো কাছে থেকেও।
আর সেটা বলব Corporate দাদুজি’র signature style-এ 😎।
🌊🌳 Once upon a time in BE College, Shibpur…

চলুন, ফিরে যাই ২০০১ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে —
অনিন্দ্য জ্যোতি বিশ্বাস — Metallurgy Department।
তামাল চক্রবর্তী — Mining Department।
দু’জনের রুম আলাদা হলেও,
দু’জনের মধ্যে ছিল এক bond of trust 🤝 — একেবারে অটুট!
☀️ সময় গড়াল…
B.E. আর MBA শেষ করার পর — অনিন্দ্য চাকরি খুঁজতে শুরু করল।
কিন্তু তখন বাজারে তীব্র recession —
Kolkata Job market একেবারে সুযোগ প্রায় নেই।
জীবনের স্রোত ছিল ভয়ংকর — একেবারে জীবন-মরণ পরিস্থিতি! 🚨
সেই সময় তামাল, অনেকটা পায়রার মতো,
নিজের comfort zone-এ ছিল —
একটি প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিতে ভালো চাকরি করছিল।
কিন্তু সে বুঝল বন্ধুর বিপদটা…
এবং এক সেকেন্ডও দেরি করল না।
Boss-এর সাথে কথা বলে
তামাল অনিন্দ্যের জন্য একটা ছোট প্যাকেজের চাকরি ঠিক করল —
শুধু বেঁচে থাকার জন্য, survival-এর জন্য।
অনিন্দ্য সেই সুযোগ নিল…
নিজের পরিচিত রাজ্য ছেড়ে,
West Bengal থেকে Chennai-তে শিফট করল।
এবং এটাই ছিল তার কর্পোরেট জগতে প্রথম পদক্ষেপ।
সে বেঁচে গেল… আর ধীরে ধীরে নতুন পথে হাঁটা শুরু করল।
🎬 [দৃশ্য বদল ]
প্রথম কোম্পানিতে তামাল টানা 14 বছর কাজ করল।
Company-কে বাড়তি মুনাফা এনে দিল 📈।
কিন্তু বাইরের বড় সুযোগগুলোর দিকে তাকালই না।
আর অনিন্দ্য?
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই কোম্পানি বদলেছে, সুযোগ বদলেছে —
আর প্রতিটা জায়গায় সাফল্য এনেছে
কিন্তু বন্ধু… জীবন সিনেমা নয়।
সবসময় মসৃণও নয়।
🌪️ তামালের জীবনেও এলো ঝড়…
একজন সমস্যাসৃষ্টিকারী(problem-creating), অত্যাচারী Boss তার জীবনকে ধীরে ধীরে নরকে পরিণত করল।
প্রতিদিনের অপমান(humiliation), কৃতিত্বের অবমূল্যায়ন(undervaluation),
অবাস্তব(unrealistic ) টার্গেট আর অনন্ত নেতিবাচক মন্তব্য(negative comments) —
সবকিছু যেন তার আত্মবিশ্বাসকে টুকরো টুকরো করে দিচ্ছিল।
যে মানুষ একসময় অফিসে হাসিমুখে প্রবেশ করত,
সে এখন বুকের ভেতর এক অদ্ভুত কষ্ট, হতাশা আর মানসিক চাপ নিয়ে ঢুকত।
প্রতিটি দিন যেন ছিল এক যুদ্ধ… কিন্তু তামালের হাতে ছিল না কোনো অস্ত্র।
পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হলো যে —
তাকে বাধ্য হয়ে চেন্নাই ট্রান্সফার নিতে হলো।
কিন্তু সেখানেও সেই মানসিক চাপ, সেই যন্ত্রণা তাকে ছাড়ল না।
রাতের ঘুম হারিয়ে গেল।
চোখ বন্ধ করলেই ভেসে উঠত অফিসের অপমান, চাপা রাগ, আর অসহায়তার দৃশ্য…
একসময়ের হাসিখুশি, আত্মবিশ্বাসী Talented তামাল —
এখন ক্লান্ত, নিঃশব্দ, আর নিজের ভেতরে বন্দি।
তামাল মরিয়া হয়ে চাকরি বদলাতে চাইছিল। প্রতিদিন নতুন সুযোগ খুঁজছে… আশা করছিল, হয়তো পরের ফোন কল বা পরের ই-মেইলই তার জীবন পাল্টে দেবে।
সে naukri .com -র Paid Version-এ সাবস্ক্রাইব করল,
অতিরিক্ত টাকা খরচ করে বানাল এক Professionally Designed Visual CV
একজন Working Professional যতটুকু possible চেষ্টা করতে পারে—
প্রায় সবটুকুই করল সে, যেন নিজের Career Breakthrough-এর জন্য শেষ চেষ্টা করে যায়।
কিন্তু… দিন গেল, সপ্তাহ গেল, মাসও পেরিয়ে গেল—একটাও ইন্টারভিউ কল নয়, কোনো রিক্রুটারের মেসেজও নয়। চারদিক থেকে নীরবতা।
ওদিকে তার বন্ধু অনিন্দ্য যেন অন্য এক জগতে বাস করছে। একের পর এক নতুন চাকরির সুযোগ, নিয়মিত কনসালট্যান্টদের ফোন কল, আর অফারের লাইন।
প্রতিবার তামাল যখন এই খবর শুনত—কখনও সরাসরি অনিন্দ্যের মুখ থেকে, কখনও অন্যদের কাছ থেকে—মনে ব্যথা লাগত।
“কীভাবে সম্ভব?” তামাল ভাবত।
“ও আমার চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান নয়, বেশি Efficient ও নয়… তবুও কেন ও এত সুযোগ পাচ্ছে?”
ধীরে ধীরে, অহংকার বন্ধুত্বের মধ্যে এসে দাঁড়াল। তামাল মুখ খুলে কিছু জানতে চাইতে পারল না। নিজের জেদের ওপর ভর করে চেষ্টা চালাল… আর বারবার ব্যর্থ হল।
একদিন, সব চেষ্টা শেষ করে, মন ভেঙে গিয়ে—তামাল ফোন তুলে নিল। অনিন্দ্যের নাম সিলেক্ট করল… আর ডায়াল করল।
“ভাই, আমার তোমার সাহায্য দরকার,” — তামালের কণ্ঠে ছিল একরাশ ক্লান্তি আর ভরসা।
ওপাশে কিছুক্ষণ চুপ করে রইল অনিন্দ্য। তারপর শান্ত কিন্তু দৃঢ় গলায় বলল—
“তামাল… অনেক আগেই আমাকে ফোন করা উচিত ছিল। এখানে কোনো গোপন রহস্য নেই… শুধু খেলাটা কীভাবে খেলতে হয়, সেটা জানা দরকার।”
পরের এক ঘণ্টা অনিন্দ্য সব শেয়ার করল—
সিভি-কে কীভাবে এমনভাবে সাজাতে হয় যাতে রিক্রুটারের চোখে লেগে যায়, কীওয়ার্ডের গুরুত্ব, প্রতিটি চাকরির জন্য আলাদা করে প্রোফাইল টিউন করা, আর সরাসরি হায়ারিং ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা—অপেক্ষা না করে।
শুধু তাই নয়, সে নিজের পরিচিত কয়েকজন কনসালট্যান্টের সাথেও তামালের পরিচয় করিয়ে দিল।and so many tricks .
এটা কোনো জাদু ছিল না—এটা ছিল একটা পদ্ধতি।
কিন্তু বন্ধু… জীবন সিনেমা নয়।
সবসময় মসৃণও নয়।
Everyone’s life is different.
Challenges আলাদা, Destiny আলাদা।
তামালের জন্য… কিছুই কাজ করছিল না।
No significant results.
Life একেবারে standstill।
কিন্তু একটা জিনিস —
তারা দু’জনেই ছিল BEings এবং Sportsman of Oval 🏟️।
আর তাদের একটাই common attitude ছিল —
“Never Give Up in Any Situation.” 💪
🎬 একদিন…
অনিন্দ্য আর তামাল বসে গল্প করছিল।
হঠাৎ—
মনে একটা আইডিয়া ঝলসে উঠল! ⚡
কী ছিল সেই আইডিয়া? 🤔
ওরা কি পারবে সেটাকে crack করতে?
নাকি… নতুন কিছু বন্ধু এসে যোগ দেবে এই যাত্রায়?
📌 To know more…
👉 Watch our next episode of Corporate Panchatantra!
“একদিন…
অনিন্দ্য আর তামাল বসে গল্প করছিল।
পুরনো দিনের স্মৃতি, বর্তমানের চাপ, আর ভবিষ্যতের চিন্তা—সব একসাথে মিশে যাচ্ছিল ।”
অনিন্দ্য (হঠাৎ চোখে ঝিলিক নিয়ে):
“দেখ তামাল… till today আমরা সবকিছু দেখেছি একজন Job Seeker-এর চোখ দিয়ে…
একজন প্রার্থী, যে শুধু সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।
কিন্তু এবার…
আসো উল্টো দিকটা দেখি —
Recruiter বা Talent Acquisition Hiring Manager কীভাবে একজন প্রার্থীকে খোঁজে,
কীভাবে তারা ঠিক করে কাকে shortlist করবে…
যখন এটা বুঝব, তখনই আমরা খুঁজে পাব কোথায় আমরা আটকে যাচ্ছি।
আর কেন ফোন কলগুলো আসছে না।”
“এই মুহূর্তটা ছিল pure Eureka!
আইডিয়াটা ছিল অসাধারণ…
যেন নতুন এক দরজা খুলে গেল।”
“কিন্তু…
প্রতিটি নতুন পথে যেমন থাকে বাঁক, তেমনি ছিল এখানে বাধা…
শুধু বাধা…
প্রথম পদক্ষেপ থেকেই।”
তামাল (দীর্ঘশ্বাস ফেলে):
“But অনিন্দ্য…
আমি তো কোনো recruiter বা talent acquisition hiring manager-কে চিনি না।
তাহলে আমাদের সাহায্য করবে কে?”
অনিন্দ্য (চোখে আত্মবিশ্বাস):
“চিন্তা করিস না।
আমি চিনি।
আমাদের BE কলেজের এক পুরনো বন্ধু আছে, যার স্ত্রী একজন recruiter—MNC কোম্পানিতে, Bangalore-এ।”
তামাল (উৎসুক কিন্তু দ্বিধাগ্রস্ত):
“কে সে?”
অনিন্দ্য (হাসি দিয়ে):
“আমাদের প্রিয় Surya Bose… Metallurgy department… মনে আছে তো?”
“তামাল একটু চুপ করে গেল…
কেন জানি, ফোন করার সাহস পাচ্ছিল না।
লজ্জা, দ্বিধা, আর একরাশ অস্বস্তি—সব একসাথে জমে ছিল।”
অনিন্দ্য মোবাইল হাতে তুলে নিল…
Dial tone 📞
ক্যামেরা split-screen — একদিকে অনিন্দ্য, একদিকে Surya Bose, আর মাঝখানে ringing sound.
“অনিন্দ্য-ই ফোন করল…
Tamal-কে নিল conference call-এ…
আর সেই দীর্ঘ নীরবতা… ভেঙে গেল।”
- তিনজনের কণ্ঠ একসাথে
- আলো-আঁধারের মধ্যে দৃশ্য বদল
- টেবিলের ওপর নোটবুক খোলা, তাতে লেখা হচ্ছে নতুন নতুন পয়েন্ট
“এই প্রথম চেষ্টাতেই ধরা পড়ল—
Tamal-এর ফোন না আসার মূল কারণ…
সমস্যার শিকড়।
এবং এখান থেকেই শুরু হবে সমাধানের পথচলা।”
কয়েকদিনের মধ্যেই ফল আসতে শুরু করল।
এক সপ্তাহের মধ্যে ফোন বেজে উঠল। একটার পর একটা ইন্টারভিউ কল। প্রতিটি ফোন কল তামালের কাছে ছিল ছোট্ট একটা জয়। প্রতিটি কথোপকথনের সঙ্গে তার আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেল।
এক সন্ধ্যায়, খুব ভালো একটা ইন্টারভিউ দেওয়ার পর, তামাল Surya Bose & অনিন্দ্যকে মেসেজ করল—
“ধন্যবাদ… শুধু টিপসের জন্য নয়, আমাকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য যে, জীবনে পরিবর্তন আনতে কখনও কখনও শুধু সাহস করে সাহায্য চাইতে হয়।”
অনিন্দ্য রিপ্লাই করল একটি হাসির ইমোজি আর একটি ছোট্ট লাইন দিয়ে—
“বন্ধুরা তো সেই জন্যই থাকে।”
এবার আসছে গল্পের সবচেয়ে মজার টুইস্ট 🎯
বন্ধুরা… এতক্ষণ ধরে যে কাহিনি শুনলেন—
তামাল, সুর্য বোস, অনিন্দ্য—এরা কেউই কাল্পনিক নয়! 😮
এরা কিন্তু বাস্তব মানুষ, যাদের আপনি অনেকেই চেনেন… হয়তো নাম শুনে, হয়তো কাছে থেকেও।
কিন্তু…
গল্পে আমি তাদের আসল নাম বলিনি। 😉
তাদের জায়গায় ব্যবহার করেছি কিছু code name।
💡 হিন্ট: তাদের নাম আর উপনামের ভেতরেই লুকিয়ে আছে আসল পরিচয়।
আপনাদের শুধু একটু খেয়াল করতে হবে, একটু মাথা খাটাতে হবে।
হয়তো পুরনো কলেজের আড্ডা, মাঠের খেলার স্মৃতি, বা কর্পোরেটের করিডরের গল্প আপনারা মনে করতে পারবেন।
🔍 তাহলে, কে এই তামাল?
কে এই সুর্য বোস?
আর কে বা সেই অনিন্দ্য—যার সাহসী পদক্ষেপে গল্প এগিয়েছে?
আপনারা জানলে… আপনারা-ই কমেন্ট সেকশনে লিখে দিন—
আসল নাম, নাকি নিকনেম, সবই চলবে।
দেখা যাক, কে আগে রহস্য ভেদ করতে পারে।
Key Takeaways আর Lessons Learned—
ওগুলো সব আমরা রেখে দিয়েছি আমাদের পরের এপিসোডের জন্য।
তাহলে দেখা হবে…
Next Episode-তে—