গল্প হলেও সত্যি-অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা
প্রিয় বন্ধুরা,
আজ আমি তোমাদের সঙ্গে একটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই
একটা এমন গল্প, যা একদিকে যেমন অবিশ্বাস্য,
অন্যদিকে তেমনই ভয়ানকভাবে বিতর্কিত! 😱
এই গল্পটা শুনলে মাথায় হাজারটা প্রশ্ন ঘুরবে…
আর হয়তো অনেকেই বিশ্বাসই করতে চাইবে না।”
👻তবে তার আগে – একটা সোজা প্রশ্ন করি তোমাদের…
👉 তোমরা কি ভূতের অস্তিত্বে বিশ্বাস করো?
👉 কখনও কি এমন কিছু অনুভব করেছো,
যা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু উপস্থিতি যেন টের পাওয়া যায়…?” 🌫️
🧠আমি নিজে একজন বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ…
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছি, সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড আমার।
আর এই কথা শুনলে হয়তো তোমরা চমকে যাবে –
পুরো এক বছর ধরে আমি ঘুমিয়েছি মানুষের কঙ্কাল (skeleton) এর পাশে! ☠️
We called it as Khuli Baba

হ্যাঁ, Engineering Final Year-এ at Rich Hall-e!
Dead Body বা Ghost – এসব কখনোই আমার মনে ভয় ধরাতে পারেনি।
আমি বিশ্বাস করতাম না এসব কুসংস্কারে!”
😶🌫️কিন্তু…
আজ আমি যে ভূতের গল্পটা বলবো,
তা একেবারেই আলাদা… একেবারেই ব্যতিক্রমী।
না, এটা সিনেমার গল্প না।
এটা ঘটেছে আমার নিজের জীবনে!
🔔তাই বলছি…
ভিডিওটা শেষ পর্যন্ত দেখো, মন দিয়ে শোনো…
👉 কারণ এই গল্পটা তোমার বিশ্বাসকে কাঁপিয়ে দিতে পারে,
তোমার যুক্তিকে প্রশ্নে ফেলে দিতে পারে…
আর শেষে তোমার চোখেও হয়তো একটাই ভাব ফুটে উঠবে –
“এটা কি সত্যি?” 👀
📢তাহলে চল…
ভূতের গল্প নয়,
আজ বলি ‘জীবনে ঘটে যাওয়া এক অদ্ভুত ঘটনা’র গল্প,একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে !” 👻🧪🎙️
📅সময়টা ২০১২ সাল…
জীবনের সেই অধ্যায় – যেটা আজও আমার স্মৃতির পাতায় আর বিস্ময়ের ছাপ ফেলে রেখে গেছে… 😱
আমি তখন চেন্নাইতে থাকি…
🏢 Gokul Apartments – নামটা আজও মনে আছে!
তিন রুমের একটা 3BHK ফ্ল্যাট –
আমার সঙ্গে থাকতো MGR University-র ৮ জন ছাত্র।
মানে, আমরা ছিলাম ৯ জন – ৩ টে রুমে গাদাগাদি করে থাকা! 👬👬👬
🖋️এই সময়েই…
অনেকদিন পর আবার ফিরে এসেছিল কবিতা আমার জীবনে।
২০১১ সালের নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছিল সেই যাত্রা ✍️
সেই কবিতা যার শেষ লাইন আমি লিখেছিলাম ২০০৯ সালে…
আর পাশে ছিল আমার BE College-এর কবিতার সহযোদ্ধা –
সৈকত দত্ত 📖💫
🌒কিন্তু তারপর…
২০১২-র ফেব্রুয়ারি মাসে, এক রাতে —
Gokul Apartments-এ এমন কিছু ঘটতে শুরু করল…
যা আমাদের সবার ঘুম কেড়ে নিল! 😵💫
🕒রাত ২টা, কখনও ৩টা…
আমরা যখন ঘুমের গভীরে – হঠাৎ শুনি…
👉 কমন ওয়াশিং মেশিনটা হঠাৎ নিজে থেকেই চলা শুরু করে দিল!
না কেউ সুইচ দিল, না কেউ জামা রাখল! 😨
শুধু চলেই যাচ্ছে —
“ঘরঘর ঘরঘর ঘরঘর…” 🌀🚿
আমরা ছুটে গেলাম দেখতে – কে চালু করল?
কিন্তু গিয়ে দেখি… কেউ নেই! 😶
🥣🍽️এরপর একদিন…
রান্নাঘরের থালা-বাটি নিজের থেকেই পড়ে যায়…
“টাং! টুং! ঝনঝন!”
মেঝেতে ছিটকে পড়ে –
আর আমরা সবাই ছুটে গিয়ে দেখি –
সেখানেও কেউ নেই! একদম শুনশান!
😑 আমরা ভেবেছিলাম –
“এ তো নিশ্চয়ই কারো দুষ্টুমি…
কেউ রাত জেগে মজা করছে, ভয় দেখাচ্ছে!”
🙄 প্রথম কিছুদিন আমরাও হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলাম…
🤨 কিন্তু দিন যেতে লাগল…
আর ঘটনা গুলো হালকা থেকে গা শিউরে ওঠা ভয়ংকর হয়ে উঠতে লাগল!
🌑 রোজ রাতেই…
❌ হঠাৎ চলতে থাকা ওয়াশিং মেশিন,
❌ থালা-বাসন হুড়মুড় করে পড়ে যাওয়া,
❌ আর পৌঁছালে দেখা যায় — কেউ নেই সেখানে! 😨
💀 আমি ছিলাম সায়েন্স স্টুডেন্ট…
একটা সময় মরা মানুষের কঙ্কালের পাশে ঘুমিয়েছি!
আমার যুক্তিবাদী মন বলত —
“ভূত টুত বলে কিছু হয় না!”
কিন্তু…
সেই রাতে আমার ভিতরে কিছু একটা হল…
সব প্রশ্ন যেন একটাই উত্তর খুঁজছিল —
👉 “যদি যুক্তি না মেলে,
তবে কি কিছু আছে যেটা আমরা বুঝতে পারি না?” 😵💫
📞 আমি সব খুলে বললাম আমার কবিতা সঙ্গী সৈকত দত্ত কে।
🎭 ও হেসে বলল —
“ভূতের দল তোকে দিয়ে কিছু বলাতে চাইছে…
শোন তাদের কথা, তোকে মাধ্যম করেছে !”
😳 প্রথমে মনে হল এটা নিছক মজা…
কিন্তু এই কথাটা মনে গেঁথে গেল ছুরির মতো…
🔍 তারপর আমি শুরু করলাম এক অলৌকিক রিসার্চ!
“কয় রকমের ভূত আছে?”
“তাদের নাম কী, স্বভাব কেমন?”👻💭
😮💨 আর সেই সময় —
না জানি কোথা থেকে —
আমার ভেতর জন্ম নিল এক অদ্ভুত কবিতা…
📝 নাম দিলাম — “ভূতেদের দুঃখ!”
একটা সম্পূর্ণ নতুন দৃষ্টিভঙ্গি —
📌 আজকের দিনে ভূতেরাও যে সমস্যায় পড়ে —
কোন challenge ওদের জীবনে আসছে,
কীভাবে তারা ভুলে যাওয়া অস্তিত্ব হয়ে গেছে…
কী তাদের কান্না, কী তাদের না বলা কথা…
সব আমি লিখে ফেললাম এক নিঃশ্বাসে!
📲 আর সেই কবিতা —
আমি ফেসবুকে পোস্ট করে দিলাম…
📽️পরদিন থেকে — ম্যাজিক!
একটা অবিশ্বাস্য পরিবর্তন ঘটল…
🔥Midnight Surprise… একদম বন্ধ!
এক বছর ধরে — একটাও ঘটনা ঘটেনি!!
🤯 তুমি কি বিশ্বাস করবে?
আমি নিজেও পারিনি…
🔬 Science পারবে না…
✨সেইদিন আমি বুঝলাম —
“বিজ্ঞান এখনো সব কিছু ব্যাখ্যা করতে শেখেনি!”🔮
বাঙালিরা একথা বহুদিন আগেই বলেছে —🕉️
👉 “বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর!”
🫂 তাই আজ আমি আর কিছু বলব না…
কারণ এই গল্পের শেষ নেই…
📍এই ছিল আমার জীবনের এক অপার ব্যাখ্যাতীত অধ্যায়…
একটা কবিতা –
যা হয়তো ভূতেদের আত্মার মুক্তি এনে দিয়েছিল…👁️🗨️

