Corporate Daduji

A Corporate Daduji’s Creation

When No One Is Watching-a Legend is Rising

অরিজিৎ সিংহের সংগ্রামের গল্পPart 1


বন্ধুরা,

প্রতিবছর রিয়েলিটি শো থেকে শত শত গায়ক উঠে আসে—
কেউ কয়েক মাস আলোয় থাকে,
তারপর ধীরে ধীরে হারিয়ে যায় অন্ধকারে।

কিন্তু একজন আছে—
একজন মানুষ, যিনি এই পুরো ধারাটাই বদলে দিয়েছেন।

Arijit Singh

অরিজিৎ সিংহ ছোটবেলা থেকেই গায়ক হতে চেয়েছিলেন।
গান ছিল তাঁর স্বপ্ন, তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাস।

২০০৫ সালে তিনি অংশ নেন Fame Gurukul-এ।
স্বপ্ন ছিল বড়—
কিন্তু ফলটা প্রত্যাশিত হলো না।
তিনি eliminate হয়ে গেলেন।
জনপ্রিয়তায় পিছিয়ে পড়লেন।
ক্যামেরা থামল, আলো নিভে গেল।

ভাঙা মন নিয়ে 💔
তিনি ফিরে গেলেন নিজের শহরে— জিয়াগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ
অনেকেই ভেবেছিল, এখানেই গল্প শেষ।

কিন্তু…
গল্পটা সেখানেই শেষ হয়নি। অরিজিৎ থামেনি।
ফেম গুরুকুলের পর অনেকেই অরিজিৎকে ভুলে গিয়েছিল,
কিন্তু অরিজিৎ তখন নিজেকে তৈরি করছিল—চুপচাপ, ভিতর থেকে


🎶 অরিজিৎ সিংহের সংগ্রামের গল্প

তিনি ২০০৬ সালে মুম্বাইতে ফ্রিল্যান্স করতে যান, ভাড়া ঘরে থাকেন—
এবং একটা বড় সিদ্ধান্ত নেন:
শুধু singer হয়ে নয়—music-এর ভিতরে ঢুকে পড়বেন।
সেই সময় তিনি আরেকটা রিয়েলিটি শো জেতেন (10 Ke 10…); প্রাইজ মানি দিয়ে নিজের ছোট recording setup বানান—যাতে কাজ শেখা যায়, survive করা যায়।

এবার আসে জীবনের আসল struggle phase
যে phase-টা বাইরে থেকে কেউ দেখে না,
কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা মানুষ তৈরি হতে থাকে।

এই সময়ে Arijit Singh তখনও স্টেজের আলোয় নেই।
কোনও headline নেই।
কোনও award নেই।
কিন্তু ভেতরে চলছে নীরব সাধনা

অরিজিৎ তখন কাজ করতেন—

• music programmer হিসেবে
• music producer হিসেবে
• vocal supervision, chorus management
• jingle, ad, radio—
👉 যা কাজ আসত, সেটাই।

ছোট কাজ।
অচেনা নাম।
কম পারিশ্রমিক।
কিন্তু কাজের মধ্যে একটাই জিনিস ছিল—
শিখে নেওয়ার আগুন।

এই সময়ে তিনি কাজ করেছেন, শিখেছেন একাধিক বড় কম্পোজারের সঙ্গে—

Shankar–Ehsaan–Loy,
Vishal–Shekhar,
Mithoon,
Santanu Mitra.

Monty Sharma

আর বিশেষ করে— Pritam

এই জায়গাটাই ছিল অরিজিতের
🎓 real classroom

এখানে কোনও blackboard ছিল না।
কোনও certificate ছিল না।
ছিল—

কম আলোয় বসে থাকা studio,
লেট নাইট session,
একই লাইন বারবার গাওয়া,
বারবার থামিয়ে দেওয়া—

“না… এখানে feeling ঠিক আসেনি।”
“এখানে breath একটু বেশি।”
“এখানে emotion ভাঙছে।”

👉 Repeat take.
👉 Repeat correction.
👉 আবার শুরু।

রাত বাড়ে।
চা ঠান্ডা হয়ে যায়।
গলা ক্লান্ত হয়।
কিন্তু শেখা থামে না।

এই phase-এ অরিজিৎ শিখেছিলেন—

কীভাবে নিজের ego চুপ করাতে হয়।
কীভাবে criticism নিতে হয়।
কীভাবে নিজের natural voice-কে ভেঙে,
আবার নতুন করে গড়তে হয়।

এই সময়টা glamorous ছিল না।
Instagram-worthy ছিল না।
কিন্তু এই সময়টাই তৈরি করেছিল
ভবিষ্যতের সেই কণ্ঠস্বর—

যা একদিন কোটি মানুষের
ভেতরের না-বলা অনুভূতির ভাষা হয়ে উঠবে।

👉 বাইরে তখন কেউ তাঁকে চিনত না।
👉 কিন্তু ভিতরে ভিতরে
একটা legend তৈরি হচ্ছিল।

এটাই struggle phase-এর আসল মানে—
যখন আপনি visible নন,
কিন্তু আপনি unstoppable ভাবে build হচ্ছেন।


বন্ধুরা, আজ এখানেই ইতি — আবার দেখা হবে পরবর্তী অধ্যায়ে…