Corporate Daduji

A Corporate Daduji’s Creation

The Story of Spider Cam Steel Wire

কটা সহজ প্রশ্ন দিয়েই শুরু করি—

মানুষ কি জ্ঞান পেয়ে বদলায়? নাকি প্রশ্ন করতে শিখলেই বদলে যায়?

আজকের দুনিয়ায় জ্ঞানের কোনো অভাব নেই।

আজকের দুনিয়ায় জ্ঞানের কোনো অভাব নেই।
YouTube আছে।
Google আছে।
AI আছে।
এক ক্লিকেই Harvard-এর lecture, NASA-এর research, IIT-এর notes!

তবুও একটা অদ্ভুত paradox দেখি—

👉 আমরা আগের চেয়ে বেশি জানি,
👉 কিন্তু আগের চেয়ে কম কৌতূহলী।

তথ্য আছে পাহাড়সম, কিন্তু শেখার আগ্রহ শুকিয়ে গেছে।

কেন?

কারণ আমাদের শেখানো হয়েছে—

✔️ উত্তর মুখস্থ করতে

❌ প্রশ্ন করতে নয়

আমরা শিখেছি—
📘 কী পড়তে হবে
❌ কেন পড়তে হবে—সেটা নয়

আমরা information পেয়েছি,
কিন্তু insight পাইনি

আর insight ছাড়া knowledge —
একটা শুকনো থিয়োরি।


🎓 আমার নিজের গল্প: যখন Metallurgy = “Metal-e-Allergy”

2001 থেকে 2005 সাল পর্যন্ত আমি BE Metallurgy পড়েছি in BE College,Shibpur।

কিন্তু সত্যি কথা বলি?

👉 আমার এই subject-এর সাথে কোনো emotional connection ছিল না।

আমি তখন মজা করে বলতাম—

“Metal-lurgy মানে Metal-e-Allergy!”

মানে—
ধাতু দেখলেই আমার এলার্জি! 😅


😴 ক্লাসরুমের বাস্তবতা (Uncomfortable Truth)

হ্যাঁ, আমি Engineering কলেজে পড়েছি।
কিন্তু ক্লাসে বসে?

সত্যি বলতে কী—

😴 আমি ঘুমাতাম
😐 Lecture আমার কাছে boring লাগত
🤯 Concept বুঝতাম না
💤 চোখ আপনাআপনি বন্ধ হয়ে যেত

Metallurgy আমার কাছে ছিল—
একটা শুকনো theory subject
যেটা শুধু exam-এর জন্য।

❓ কেন এমন হয়েছিল?

আজ বুঝি—
সমস্যা Metallurgy-তে ছিল না
সমস্যা ছিল শেখানোর পদ্ধতিতে

🚫 যা আমাদের শেখানো হয়েছিল:

  • Theory মুখস্থ করো
  • প্রশ্ন না করে উত্তর গিলো
  • Exam hall-এ গিয়ে সব vomit করো
  • Degree নাও
  • Job ধরো

❌ যা কখনো বলা হয়নি:

  • ধাতু আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কোথায়?
  • এটা এমন আচরণ করে কেন?
  • এই knowledge আমার জীবনে কী value দেবে?

💡 তারপর এল সেই “Bulb Moment”

একদিন আমাদের মেসে হঠাৎ হাজির—

প্রতীক মল্লিক দা
আমাদের কলেজ senior
আমার ফুটবল-গুরু
আমার কবিতা লেখার inspiration।

হালকা আড্ডা—
চাকরি, জীবন, struggle…

হঠাৎ প্রতীকদা আমাকে একটা প্রশ্ন করল।

এমন একটা প্রশ্ন—
যেটা আমার মাথার ভেতরে
একটা 💡 Bulb জ্বালিয়ে দিল।


🕷️ Spider Camera-এর প্রশ্ন

প্রতীকদা বলল—

“তুই কি কখনো Cricket stadium-এ Spider Camera দেখেছিস?”

একটা camera—
পুরো stadium জুড়ে উড়ছে।

চার দিক থেকে টানা
খুব fine steel wire-এর ওপর দিয়ে
cameraটা effortlessly চলাফেরা করছে।

Wire এতটাই পাতলা—
👉 প্রায় চোখেই পড়ে না।

কিন্তু camera?

📸 Heavy
📸 Expensive
📸 High-speed movement

প্রতীকদা হঠাৎ বলল—

👉 “ভেবে দেখেছিস…
এত পাতলা steel wire কীভাবে একটা heavy Spider Camera
পুরো stadium জুড়ে carry করে?”

তারপর ধীরে ধীরে প্রশ্নগুলো ছুঁড়ে দিল—

ছিঁড়ে যায় না কেন?
Stretch হয় না কেন?
এই wire-এর ভেতরে এমন কী আছে?

🔩 What Type of Steel Grade is Used for Such Wire?

  • High Carbon Grade
  • Alloy Steel Grade
  • Super Alloy Grade?

🔥 What Heat Treatments Are Used?

  • Quenching + Tempering?
  • Stress Relieving Annealing?
  • Patenting?

What is the complete manufacturing Process Flow

ওই মুহূর্তে বুঝলাম—

📚 মেটালার্জিতে এত এত জিনিস আছে যা ভীষণ intersting, আর সেটা একদম boring নয়—যেমনটা আমি ভাবতাম।

🧠 Metallurgy হলো curiosity-driven thinking

ওই একটা প্রশ্ন— আমার চোখ খুলে দিল। যেটা চার বছর ক্লাসরুমে বসে শেখা যায়নি, সেটা একটা সাধারণ আড্ডায় একটা প্রশ্নে হয়ে গেল।

বুঝলাম— তথ্য দিয়ে শেখানো যায়, কিন্তু কৌতূহল জাগিয়ে শেখা হয়।

প্রশ্ন না থাকলে— জ্ঞান শুধু মুখস্থ হয়ে যায়। প্রশ্ন থাকলে— জ্ঞান নিজের হয়ে যায়।

আর একবার Curiosity জেগে গেলে— শেখানোর আর দরকার হয় না। মানুষ নিজেই খুঁজে নেয়।


তথ্য আগে দিও না। প্রশ্ন আগে দাও।

কারণ— যখন মানুষ Curious হয়ে যায়, তখন বাকি কাজ সে নিজেই করে নেবে।