Corporate Daduji

A Corporate Daduji’s Creation

Agni Konna-Meghdut

আকাশে ভেসে যাওয়া একফালি মেঘ যে প্রেমিকের দূত হয়ে তার প্রিয়ার কাছে হৃদয়ের বার্তা পৌঁছে দিতে পারে—এই অনন্য কল্পনার জন্ম দিয়েছিলেন মহাকবি কালিদাস তাঁর অমর কাব্য মেঘদূত-এ।

কিন্তু মজার বিষয় হলো, উনবিংশ শতাব্দীতে আর-এক প্রেমিকও এই ‘মেঘদূত’-এর ধারণাকে ব্যবহার করেছিলেন। সেই প্রেমিকের নাম, সেই প্রেমের গল্প—জানতেন শুধু ঢোলকবি।


Dear অগ্নিকন্যা মমতা,
এই চিঠি তোমায় লিখছি এক মরুভূমির গভীর, গোপন ডেরায় বসে।

এখানে কোনো ইন্টারনেট,পোস্টবক্স ,ফ্যাক্স,নেই কোনো যোগাযোগের ব্যবস্থা।
তাই একফালি বিরল মেঘকে ভরসা করে এই চিঠি পাঠালাম পটুয়াপাড়ার।

বরাবরই তোমার সঙ্গে আমার অদ্ভুত মিল,
ধর্মের তলায় আমার জঙ্গিপনা, ধর্মতলায় তোমার ।
আমি জেহাদি, তুমি জেদি—

আমাকে জ্বালাচ্ছে যুদ্ধ-বিমান,

আর তোমাকে জ্বালাচ্ছে বৃদ্ধ-বিমান।

সেই যেদিন তুমি “বুদ্ধ হটাও” কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলে,
সেই দিন থেকেই আমি তোমার দিওয়ানা।
সে বামিয়ানার বুদ্ধ হোক বা বাম ইউনিয়নের বুদ্ধ,
সব রকম “বুদ্ধ হটাও” কর্মসূচিতে আমার মোরাল সাপোর্ট ছিল, আছে, থাকবে।

সেইবার নির্বাচনের শেষে,তুমি দু’আঙুল ফাঁক করে যেন কিছু একটা বলতে চেয়েছিলে।
আমি ভেবেছিলাম তুমি বুঝি সাইন ল্যাঙ্গুয়েজে “টুইন টাওয়ারকে উদ্দেশ করে কিছু বলছ।
প্রেমে অন্ধ হলে যা হয় আরকি!
দিলাম মালটাকে ছেড়ে।
সেই থেকে আর তাড়া খেয়ে মরছি।

তুমি বিন্দাস আছো বুদ্ধের স্বরচিত মরুদ্যানে।

আর আমি পচে মরছি এই তপ্ত মরুভূমিতে।

কেউ না জানুক,তুমি তো জানো—তোমার জন্যই আজ আমার এই হাল।

হে হৃদয়হীনা,সেই তুমি আর ফিরেও তাকালে না।এত নিঠুর মানুষ হতে পারে?

তবু এই চিঠি লিখছি।

কেননা শুনেছি, তোমার দুয়ারে নাকি কেউ খালি হাতে ফেরে না।

be continue …


বন্ধুরা, আজ এখানেই ইতি — আবার দেখা হবে পরবর্তী অধ্যায়ে…